বাংলাদেশ ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo কুবির ছাত্র পরামর্শক দপ্তরে নতুন পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন Logo এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিতসহ দুই দাবিতে রাবিতে বিক্ষোভ Logo ৬ কেজি গাঁজাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার Logo দরজার সামনে মিলল নবজাতক ছেলে শিশু, স্বজনদের খোঁজে পুলিশ Logo ‘ফার্মের মুরগী’ বিতর্কে আত্মপ্রকাশ করল ‘ব্রয়লার চিকেন পার্টি’ Logo মঠবাড়িয়ার আবাসিক হোটেলে অভিযান, মাদকদ্রব্যসহ আটক ২ Logo যাত্রীসংকটে ১৬ জুলাই থেকে যশোর-ঢাকা রুটে ফ্লাইট বন্ধ করছে ইউএস-বাংলা Logo সুন্দরবনের বনদস্যু ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ জনের আত্মসমর্পণ Logo সাঁথিয়ায় সাংবাদিক আব্দুদ দাইন সরকারকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ Logo রুহিয়ায় চুরি হওয়া ষাঁড় গরু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টারিং

নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে পোস্টারিং করা হয়েছে। পোস্টারগুলোতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, শিক্ষার অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং রাজবন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়।

শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট ও বিবিএ ভবন এলাকায় সংগঠনটির বিভিন্ন পোস্টার দেখা যায়।

পোস্টারগুলোতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের ছবিও স্থান পায়।

পোস্টারগুলোতে ‘শিক্ষার অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে’, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে’ এবং ‘রাজবন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে’— এমন বিভিন্ন স্লোগান লেখা ছিল।

জানা গেছে, এ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী আশিক-ই-আতাহার মেসবাহ এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান। এছাড়া সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজবুল ইসলাম।

এ বিষয়ে আশিক-ই-আতাহার মেসবাহ বলেন, রাজনীতি করার কারণে কোনো শিক্ষার্থীর শিক্ষার অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়া উচিত নয়। মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু শিক্ষা সবার মৌলিক অধিকার। ক্যাম্পাসে সহাবস্থান ও শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্ব। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করা ভবিষ্যতের জন্য অশনিসংকেত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভয় নয়, জ্ঞান ও যুক্তির চর্চা হোক। প্রতিটি শিক্ষার্থী নিরাপদে পড়াশোনা করার সুযোগ পাক। একজন শিক্ষার্থী আগে শিক্ষার্থী, পরে রাজনৈতিক কর্মী। তাই শিক্ষার অধিকার সবার জন্য সমানভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

সাজবুল ইসলাম জানান, শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার। অথচ আমার ছাত্রলীগের ভাইয়েরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠনকে নিজ দেশেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই অবৈধ রায় এ দেশের ছাত্রসমাজ মেনে নেবে না। সকল রাজবন্দির মুক্তি এবং শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার এই অবস্থান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, আমি ঘটনাটি জানার চেষ্টা করছি। যারা নিরাপত্তার দায়িত্বে আছেন, তাদের সঙ্গে কথা বলব। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবেও কেউ প্রবেশ করতে পারে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলে বোঝা যাবে কারা ক্যাম্পাসে এসে এ কার্যক্রম চালিয়েছে।

kalprakash.com/SAS

জনপ্রিয় সংবাদ

কুবির ছাত্র পরামর্শক দপ্তরে নতুন পরিচালক ড. মোহাম্মদ জুলহাস উদ্দিন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের পোস্টারিং

প্রকাশিত: ১০:০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে পোস্টারিং করা হয়েছে। পোস্টারগুলোতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, শিক্ষার অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং রাজবন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়।

শুক্রবার (২৯ মে) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় গেট ও বিবিএ ভবন এলাকায় সংগঠনটির বিভিন্ন পোস্টার দেখা যায়।

পোস্টারগুলোতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের ছবিও স্থান পায়।

পোস্টারগুলোতে ‘শিক্ষার অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে’, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে’ এবং ‘রাজবন্দিদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে’— এমন বিভিন্ন স্লোগান লেখা ছিল।

জানা গেছে, এ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী আশিক-ই-আতাহার মেসবাহ এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান। এছাড়া সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজবুল ইসলাম।

এ বিষয়ে আশিক-ই-আতাহার মেসবাহ বলেন, রাজনীতি করার কারণে কোনো শিক্ষার্থীর শিক্ষার অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়া উচিত নয়। মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু শিক্ষা সবার মৌলিক অধিকার। ক্যাম্পাসে সহাবস্থান ও শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্ব। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের বঞ্চিত করা ভবিষ্যতের জন্য অশনিসংকেত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভয় নয়, জ্ঞান ও যুক্তির চর্চা হোক। প্রতিটি শিক্ষার্থী নিরাপদে পড়াশোনা করার সুযোগ পাক। একজন শিক্ষার্থী আগে শিক্ষার্থী, পরে রাজনৈতিক কর্মী। তাই শিক্ষার অধিকার সবার জন্য সমানভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

সাজবুল ইসলাম জানান, শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার। অথচ আমার ছাত্রলীগের ভাইয়েরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত। পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠনকে নিজ দেশেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই অবৈধ রায় এ দেশের ছাত্রসমাজ মেনে নেবে না। সকল রাজবন্দির মুক্তি এবং শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার এই অবস্থান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, আমি ঘটনাটি জানার চেষ্টা করছি। যারা নিরাপত্তার দায়িত্বে আছেন, তাদের সঙ্গে কথা বলব। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবেও কেউ প্রবেশ করতে পারে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলে বোঝা যাবে কারা ক্যাম্পাসে এসে এ কার্যক্রম চালিয়েছে।

kalprakash.com/SAS