বাংলাদেশ ১০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo উচ্ছ্বাস থেকে নস্টালজিয়া, বদলে যাওয়া ঈদের গল্প Logo নীলফামারীর পশুর হাটে অতিরিক্ত হাসিল আদায়, ইজারাদারকে জরিমানা Logo নালিতাবাড়ীতে ধর্ষণের প্রতিবাদে জামায়াতের মানববন্ধন, শরিয়াহভিত্তিক বিচারের দাবি Logo রাঙ্গামাটি কোতয়ালী থানার বার্ষিক পরিদর্শনে পুলিশ সুপার Logo লালপুরে ভ্যান ছিনতাইয়ের চেষ্টা, গণধোলাই শেষে পুলিশের কাছে সোপর্দ Logo নবীনগর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে লড়বেন বিএনপি নেতা মাসুদ রানা Logo বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান খান Logo জুনের শুরুতেই মোংলায় চালু হচ্ছে ২৪ ঘণ্টার ফেরি সার্ভিস Logo বাগেরহাটের কোরবানির হাটে আকর্ষণের কেন্দ্র ‘ধলু মিয়া’ Logo জলবায়ু সহনশীল কৃষিতে নারীদের স্বাবলম্বী করতে মোংলায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা

জুনের শুরুতেই মোংলায় চালু হচ্ছে ২৪ ঘণ্টার ফেরি সার্ভিস

মোংলা নদীর দুই পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ ও পণ্য পরিবহনের সংকট নিরসনে আগামী জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই চালু হচ্ছে ২৪ ঘণ্টার বিরতিহীন ফেরি সার্ভিস। একই সঙ্গে এই নদীর ওপর একটি স্থায়ী ঝুলন্ত সেতু (সাসপেনশন ব্রিজ) নির্মাণের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

সোমবার (২৫ মে) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদুল ইসলাম।

রোববার (২৪ মে) রাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠক শেষে কাজের ইতিবাচক অগ্রগতির বিষয়টি তিনি ফেসবুক বার্তার মাধ্যমে মোংলাবাসীসহ সবাইকে অবহিত করেন।

প্রতিমন্ত্রীর পোস্টে উল্লেখ করা হয়, মোংলা নদীর দুই পাড়ে নতুন পন্টুন স্থাপন ও সার্বক্ষণিক ফেরি সার্ভিস চালুর বিষয়ে তিনি বাগেরহাট জেলা প্রশাসক, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর বিভাগীয় কর্মকর্তা এবং মোংলা উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

নদীটির মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে তীব্র স্রোত ও নাব্যতা সংকট। এই সংকট দূর করে ২৪ ঘণ্টা ফেরি চলাচল সচল রাখতে ইতোমধ্যে নদীতে জরুরি ড্রেজিং বা খনন কাজ শুরু হয়েছে। তবে নদীর চরিত্র, মাটির গুণাগুণ এবং পলিমাটি রাখার স্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে, যাতে নতুন করে নদীভাঙনের ঝুঁকি তৈরি না হয়। একই সঙ্গে নাব্যতা সংকট বিবেচনায় উপযোগী ও নিরাপদ ফেরি সংগ্রহের কাজও অব্যাহত রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীর পোস্ট থেকে আরও জানা যায়, মোংলা ফেরি সার্ভিস চালুর ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতাও অনেকটাই কেটে গেছে। ইতোমধ্যে মোংলা পৌরসভার পক্ষ থেকে বিআইডব্লিউটিএকে আনুষ্ঠানিক অনাপত্তি পত্র (এনওসি) দেওয়া হয়েছে এবং গঠিত বিশেষ তদারকি কমিটি মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছে।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মোংলা ও রামপাল অঞ্চলের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখতে এবং মোংলা বন্দর ও ইপিজেডের ক্রমবর্ধমান পণ্য পরিবহনের চাপ সামাল দিতে একটি স্থায়ী সেতু অত্যন্ত জরুরি। সেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই মোংলা নদীর ওপর আধুনিক ঝুলন্ত সেতু নির্মাণে জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

এ সময় তিনি এলাকার উন্নয়নে সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতাও কামনা করেন।

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

উচ্ছ্বাস থেকে নস্টালজিয়া, বদলে যাওয়া ঈদের গল্প

জুনের শুরুতেই মোংলায় চালু হচ্ছে ২৪ ঘণ্টার ফেরি সার্ভিস

প্রকাশিত: ০৭:৪৮:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

মোংলা নদীর দুই পাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ ও পণ্য পরিবহনের সংকট নিরসনে আগামী জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই চালু হচ্ছে ২৪ ঘণ্টার বিরতিহীন ফেরি সার্ভিস। একই সঙ্গে এই নদীর ওপর একটি স্থায়ী ঝুলন্ত সেতু (সাসপেনশন ব্রিজ) নির্মাণের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে জোর প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

সোমবার (২৫ মে) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং বাগেরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদুল ইসলাম।

রোববার (২৪ মে) রাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠক শেষে কাজের ইতিবাচক অগ্রগতির বিষয়টি তিনি ফেসবুক বার্তার মাধ্যমে মোংলাবাসীসহ সবাইকে অবহিত করেন।

প্রতিমন্ত্রীর পোস্টে উল্লেখ করা হয়, মোংলা নদীর দুই পাড়ে নতুন পন্টুন স্থাপন ও সার্বক্ষণিক ফেরি সার্ভিস চালুর বিষয়ে তিনি বাগেরহাট জেলা প্রশাসক, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর বিভাগীয় কর্মকর্তা এবং মোংলা উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

নদীটির মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে তীব্র স্রোত ও নাব্যতা সংকট। এই সংকট দূর করে ২৪ ঘণ্টা ফেরি চলাচল সচল রাখতে ইতোমধ্যে নদীতে জরুরি ড্রেজিং বা খনন কাজ শুরু হয়েছে। তবে নদীর চরিত্র, মাটির গুণাগুণ এবং পলিমাটি রাখার স্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে, যাতে নতুন করে নদীভাঙনের ঝুঁকি তৈরি না হয়। একই সঙ্গে নাব্যতা সংকট বিবেচনায় উপযোগী ও নিরাপদ ফেরি সংগ্রহের কাজও অব্যাহত রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রীর পোস্ট থেকে আরও জানা যায়, মোংলা ফেরি সার্ভিস চালুর ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতাও অনেকটাই কেটে গেছে। ইতোমধ্যে মোংলা পৌরসভার পক্ষ থেকে বিআইডব্লিউটিএকে আনুষ্ঠানিক অনাপত্তি পত্র (এনওসি) দেওয়া হয়েছে এবং গঠিত বিশেষ তদারকি কমিটি মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছে।

যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মোংলা ও রামপাল অঞ্চলের অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখতে এবং মোংলা বন্দর ও ইপিজেডের ক্রমবর্ধমান পণ্য পরিবহনের চাপ সামাল দিতে একটি স্থায়ী সেতু অত্যন্ত জরুরি। সেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই মোংলা নদীর ওপর আধুনিক ঝুলন্ত সেতু নির্মাণে জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

এ সময় তিনি এলাকার উন্নয়নে সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতাও কামনা করেন।