বাংলাদেশ ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

ইরান যুদ্ধের ৪০ দিনে ৪২টি যুদ্ধবিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কংগ্রেস প্রতিবেদনের দাবি

সংগৃহীত ছবি

ইরানে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসের একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের বরাতে বলা হয়েছে, যুদ্ধের প্রথম ৪০ দিনে অন্তত ৪২টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এসব ক্ষতির পেছনে শত্রুপক্ষের আঘাত, নিজেদের বাহিনীর ভুল গোলাবর্ষণ (ফ্রেন্ডলি ফায়ার) এবং বিভিন্ন যুদ্ধকালীন দুর্ঘটনা দায়ী। ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রপাতির মধ্যে রয়েছে এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন, এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল, এফ-৩৫এ স্টেলথ ফাইটার, এ-১০ থান্ডারবোল্ট, কেসি-১৩৫ ট্যাংকার, ই-৩ সেন্ট্রি নজরদারি বিমানসহ বিভিন্ন ধরনের সামরিক বিমান ও হেলিকপ্টার।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কিছু বিমান কুয়েত, ইরাক এবং সৌদি আরবের ঘাঁটিতে সংঘটিত হামলা ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি এফ-৩৫এ বিমান ইরানি স্থলবাহিনীর গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

ক্ষয়ক্ষতির কারণে প্রতিস্থাপন ও মেরামতে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পেন্টাগন ইতোমধ্যে মোট ব্যয়ের প্রাক্কলন ২৫ বিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে ২৯ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করেছে বলেও দাবি করা হয়।

এদিকে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযানকে সফল বলে দাবি করলেও কংগ্রেস প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাস্তবে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাশার তুলনায় বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে।

এ বিষয়ে সূত্র হিসেবে প্রেসটিভি উল্লেখ করা হয়েছে।

kalprakash.com/SS
জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধের ৪০ দিনে ৪২টি যুদ্ধবিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, কংগ্রেস প্রতিবেদনের দাবি

প্রকাশিত: ০৪:৪০:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

ইরানে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসের একটি সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের বরাতে বলা হয়েছে, যুদ্ধের প্রথম ৪০ দিনে অন্তত ৪২টি যুদ্ধবিমান ধ্বংস বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এসব ক্ষতির পেছনে শত্রুপক্ষের আঘাত, নিজেদের বাহিনীর ভুল গোলাবর্ষণ (ফ্রেন্ডলি ফায়ার) এবং বিভিন্ন যুদ্ধকালীন দুর্ঘটনা দায়ী। ধ্বংস ও ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রপাতির মধ্যে রয়েছে এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন, এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল, এফ-৩৫এ স্টেলথ ফাইটার, এ-১০ থান্ডারবোল্ট, কেসি-১৩৫ ট্যাংকার, ই-৩ সেন্ট্রি নজরদারি বিমানসহ বিভিন্ন ধরনের সামরিক বিমান ও হেলিকপ্টার।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, কিছু বিমান কুয়েত, ইরাক এবং সৌদি আরবের ঘাঁটিতে সংঘটিত হামলা ও দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একটি এফ-৩৫এ বিমান ইরানি স্থলবাহিনীর গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

ক্ষয়ক্ষতির কারণে প্রতিস্থাপন ও মেরামতে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পেন্টাগন ইতোমধ্যে মোট ব্যয়ের প্রাক্কলন ২৫ বিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে ২৯ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করেছে বলেও দাবি করা হয়।

এদিকে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক অভিযানকে সফল বলে দাবি করলেও কংগ্রেস প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাস্তবে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাশার তুলনায় বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে।

এ বিষয়ে সূত্র হিসেবে প্রেসটিভি উল্লেখ করা হয়েছে।

kalprakash.com/SS