বাংলাদেশ ০২:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo ভিদাল জানালেন আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচে কে জিতবে Logo বিশ্বকাপ জিতবে আর্জেন্টিনা, পেছনে রয়েছে যে কারণ Logo ‘মার্তিনেজের ১০ নোংরা কৌশল,’ ভয় পাচ্ছে ইংল্যান্ড Logo কুবিতে বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ১১৭ শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি প্রদান Logo সুন্দরগঞ্জে বন্যা মোকাবিলায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত Logo নবীনদের পদচারণায় মুখরিত বেরোবি ক্যাম্পাস Logo রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শুভ্রা রানী চন্দ আর নেই Logo নালিতাবাড়ীতে রথযাত্রা উপলক্ষে ধর্মীয় প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo অর্থের অভাবে চীনের মেডিকেলে ভর্তি অনিশ্চিত, সহযোগিতা চায় বাগাতিপাড়ার মেধাবী ফাতেমা Logo ছেলের শিক্ষার্থী আন্দোলনে অংশগ্রহণের জেরে বগুড়ায় বিএনপি নেতা বহিষ্কার

চলতি অর্থবছরে ৬ বিলিয়নের বেশি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

চলতি অর্থবছরে ৬ বিলিয়নের বেশি ডলার কিনল কেন্দ্রীয় ব্যাংক (সংগৃহীত ছবি)

দেশে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়ে গেছে। এতে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত তৈরি হওয়ায় বাজারে ভারসাম্য বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বড় পরিসরে ডলার কিনছে।

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৮ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই দিনের এক্সচেঞ্জ রেট ও কাট-অফ রেট ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত ব্যাংকগুলো থেকে মোট ৬০৬ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ৬.০৬ বিলিয়ন ডলার) কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মধ্যে শুধু মে মাসেই কেনা হয়েছে ৩৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, বাজারে ডলারের সরবরাহ বর্তমানে চাহিদার তুলনায় বেশি। ফলে দর অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ার ঝুঁকি ঠেকাতে এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনছে। একই সঙ্গে এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও শক্তিশালী হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে ডলারের বাজারে বড় অস্থিরতা দেখা দেয়, যখন প্রতি ডলারের দাম দ্রুত বেড়ে ১২২ টাকার কাছাকাছি পৌঁছে যায়। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিভিন্ন সময় রিজার্ভ থেকে বড় পরিমাণ ডলার বিক্রি করতে হয়।

গত তিন অর্থবছরে বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর বিপরীতে একই সময়ে ব্যাংকগুলো থেকে কেনা হয়েছে তুলনামূলকভাবে অল্প পরিমাণ ডলার।

সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বেড়ে রিজার্ভেও উন্নতি হয়েছে। গত ১৯ মে দেশের মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪.৩২ বিলিয়ন ডলার, আর আইএমএফের বিপিএম-৬ অনুযায়ী তা ২৯.৬৬ বিলিয়ন ডলার।

এদিকে সদ্য সমাপ্ত এপ্রিল মাসে দেশের রপ্তানি আয় ৪০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩২.৯২ শতাংশ বেশি।

kalprakash.com/SS
জনপ্রিয় সংবাদ

ভিদাল জানালেন আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচে কে জিতবে

চলতি অর্থবছরে ৬ বিলিয়নের বেশি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রকাশিত: ১২:০০:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

দেশে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়ে গেছে। এতে ব্যাংকগুলোতে ডলারের উদ্বৃত্ত তৈরি হওয়ায় বাজারে ভারসাম্য বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বড় পরিসরে ডলার কিনছে।

গত মঙ্গলবার (১৯ মে) মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৮ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ওই দিনের এক্সচেঞ্জ রেট ও কাট-অফ রেট ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত ব্যাংকগুলো থেকে মোট ৬০৬ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ৬.০৬ বিলিয়ন ডলার) কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মধ্যে শুধু মে মাসেই কেনা হয়েছে ৩৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, বাজারে ডলারের সরবরাহ বর্তমানে চাহিদার তুলনায় বেশি। ফলে দর অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়ার ঝুঁকি ঠেকাতে এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কিনছে। একই সঙ্গে এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও শক্তিশালী হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে ডলারের বাজারে বড় অস্থিরতা দেখা দেয়, যখন প্রতি ডলারের দাম দ্রুত বেড়ে ১২২ টাকার কাছাকাছি পৌঁছে যায়। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিভিন্ন সময় রিজার্ভ থেকে বড় পরিমাণ ডলার বিক্রি করতে হয়।

গত তিন অর্থবছরে বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর বিপরীতে একই সময়ে ব্যাংকগুলো থেকে কেনা হয়েছে তুলনামূলকভাবে অল্প পরিমাণ ডলার।

সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়ে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বেড়ে রিজার্ভেও উন্নতি হয়েছে। গত ১৯ মে দেশের মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪.৩২ বিলিয়ন ডলার, আর আইএমএফের বিপিএম-৬ অনুযায়ী তা ২৯.৬৬ বিলিয়ন ডলার।

এদিকে সদ্য সমাপ্ত এপ্রিল মাসে দেশের রপ্তানি আয় ৪০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩২.৯২ শতাংশ বেশি।

kalprakash.com/SS