জিলহজ মাস মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ সময়। এই মাসে কোরবানি, হজ এবং মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের বিশেষ সুযোগ রয়েছে। তাই জিলহজের চাঁদ ওঠার আগ থেকেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমলের প্রস্তুতি নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন মহানবী মুহাম্মদ (সা.)।
হাদিসে এসেছে, যারা কোরবানি করার ইচ্ছা রাখেন তারা জিলহজের চাঁদ দেখার পর থেকে কোরবানি সম্পন্ন না করা পর্যন্ত চুল, নখ, গোঁফ ও শরীরের অপ্রয়োজনীয় পশম কাটা থেকে বিরত থাকবেন। হজরত উম্মে সালমা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,
‘তোমরা যদি জিলহজ মাসের চাঁদ দেখতে পাও আর তোমাদের কেউ কোরবানি করার ইচ্ছা করে, তবে সে যেন স্বীয় চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে।’ — (সহিহ মুসলিম: ১৯৭৭)
শুধু কোরবানি দাতারাই নন, যারা আর্থিকভাবে কোরবানি করতে সক্ষম নন তারাও এই আমল করতে পারেন। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, কেউ যদি ঈদের দিন পর্যন্ত চুল-নখ না কেটে থাকে, তাহলে আল্লাহর কাছে তা পূর্ণ কোরবানির সওয়াব হিসেবে গণ্য হতে পারে। এটি আল্লাহর বিশেষ রহমত ও দয়া, যাতে ধনী-গরিব সবাই কোরবানির ফজিলতে অংশ নিতে পারে।
এছাড়া ইসলাম নিয়ত ও ইখলাসের গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। কেউ যদি আন্তরিকভাবে ভালো কাজ করার ইচ্ছা রাখে কিন্তু সামর্থ্যের অভাবে তা করতে না পারে, তবুও আল্লাহ তাকে সেই আমলের সওয়াব দান করতে পারেন। তাই মুমিনের উচিত সাধ্য অনুযায়ী আল্লাহকে সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করা এবং জিলহজের এই বরকতময় দিনগুলোকে বেশি বেশি ইবাদত, দোয়া ও নেক আমলে কাটানো।
kalprakash.com/SS
অনলাইন ডেস্ক 

























