বাংলাদেশ ০২:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

নবম পে-স্কেলে বড় পরিবর্তন, ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত

আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-সরকারি, বিচার বিভাগসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা পেতে পারেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গঠিত নবম পে-কমিশনের পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ পুরোপুরি বাস্তবায়ন না করে তা পর্যালোচনা করে কাটছাঁট করা হচ্ছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে তিন পর্যায়ে কার্যকর করা হবে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম ধাপে আগামী জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীরা নতুন বেসিক বেতনের ৫০ শতাংশ পাবেন। পরবর্তী অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ কার্যকর করা হবে। এরপর ২০২৮-২০২৯ অর্থবছরে বিভিন্ন ভাতা ও অতিরিক্ত সুবিধা সমন্বয় করা হবে।

পে-কমিশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করায় সরকারের ব্যয় কিছুটা কমে এসেছে, যার ফলে বাজেট বরাদ্দ ৩৭ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে।

সাবেক সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন কমিশনের মূল সুপারিশে বেতন ও ভাতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর প্রস্তাব থাকলেও পর্যালোচনা কমিটি তা সীমিত করেছে বলে জানা যায়।

সর্বশেষ প্রস্তাব অনুযায়ী, সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ রয়েছে। এতে নিম্ন স্তরের কর্মচারীদের বেতন উল্লেখযোগ্য হারে এবং উচ্চ পর্যায়ের বেতন দ্বিগুণের কাছাকাছি বাড়তে পারে।

এছাড়া বৈশাখী ভাতা, টিফিন ভাতা, প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য বিশেষ ভাতা এবং পেনশন সুবিধা বৃদ্ধির মতো বিভিন্ন প্রস্তাবও রয়েছে।

প্রায় ১১ বছর পর নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলে দেশের প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগী আর্থিকভাবে উপকৃত হবেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

নবম পে-স্কেলে বড় পরিবর্তন, ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত: ০১:৫০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-সরকারি, বিচার বিভাগসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা পেতে পারেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গঠিত নবম পে-কমিশনের পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ পুরোপুরি বাস্তবায়ন না করে তা পর্যালোচনা করে কাটছাঁট করা হচ্ছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে তিন পর্যায়ে কার্যকর করা হবে।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম ধাপে আগামী জুলাই থেকে সরকারি কর্মচারীরা নতুন বেসিক বেতনের ৫০ শতাংশ পাবেন। পরবর্তী অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ কার্যকর করা হবে। এরপর ২০২৮-২০২৯ অর্থবছরে বিভিন্ন ভাতা ও অতিরিক্ত সুবিধা সমন্বয় করা হবে।

পে-কমিশনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় করায় সরকারের ব্যয় কিছুটা কমে এসেছে, যার ফলে বাজেট বরাদ্দ ৩৭ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে।

সাবেক সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন কমিশনের মূল সুপারিশে বেতন ও ভাতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর প্রস্তাব থাকলেও পর্যালোচনা কমিটি তা সীমিত করেছে বলে জানা যায়।

সর্বশেষ প্রস্তাব অনুযায়ী, সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ রয়েছে। এতে নিম্ন স্তরের কর্মচারীদের বেতন উল্লেখযোগ্য হারে এবং উচ্চ পর্যায়ের বেতন দ্বিগুণের কাছাকাছি বাড়তে পারে।

এছাড়া বৈশাখী ভাতা, টিফিন ভাতা, প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য বিশেষ ভাতা এবং পেনশন সুবিধা বৃদ্ধির মতো বিভিন্ন প্রস্তাবও রয়েছে।

প্রায় ১১ বছর পর নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলে দেশের প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগী আর্থিকভাবে উপকৃত হবেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

kalprakash.com/SS