কুয়েতের আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, যেখানে চলতি মাসের শুরুতে গ্রেপ্তার হওয়া চারজন অনুপ্রবেশকারীর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের দাবি অনুযায়ী, আটক চারজনই ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের (আইআরজিসি) সদস্য। তারা কুয়েতের ভেতরে শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্দেশ্যে অনুপ্রবেশ করেছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন কর্নেল আমির হোসেইন আবদোলমোহাম্মদ জারাই, কর্নেল আবদোলসামাদ ইয়েদালেহ গানাভাতি, ক্যাপ্টেন আহমাদ জামশিদ গোলামরেজা জোলফাঘারি এবং ফার্স্ট লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ হোসেইন সোহরাব ফরুগি রাদ।
তদন্তে জানা গেছে, তারা গত ১ মে একটি মাছ ধরার নৌকা ব্যবহার করে বুবিয়ান দ্বীপে প্রবেশ করে, যা বিশেষভাবে নাশকতার উদ্দেশ্যে ভাড়া করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের লক্ষ্য ছিল কুয়েতের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে কাজ করা।
ঘটনার সময় কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ হয় এবং দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলিও ঘটে। এতে দায়িত্ব পালনরত এক কুয়েতি সেনা সদস্য আহত হন বলে জানানো হয়েছে।
এ ঘটনায় আরও দুই সন্দেহভাজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন মানসুর কাম্বারি এবং জাহাজের কমান্ডার আবদুলআলি কাজেম সিয়ামরি। তাদের খোঁজে অভিযান চলছে।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং দেশের সব নিরাপত্তা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। একই সঙ্গে কুয়েতের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনো হুমকির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
এর আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, ৩ মে কুয়েতের জলসীমায় অনুপ্রবেশের আরেকটি চেষ্টা প্রতিহত করা হয়। এসব ঘটনার পর পুরো বিষয়টি উপসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ ও রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি করেছে।
kalprakash.com/SS
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 

























