সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ | ৮ ভাদ্র, ১৪৩৩ | ১০ রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ | রাত ৮:১০:১৫

মিঠাপুকুরে চাকরি দেওয়ার নামে ১২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে ইউএনও বরাবর অভিযোগ

কাল প্রকাশ
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৬:১৭
শেয়ার: mail
মিঠাপুকুরে চাকরি দেওয়ার নামে ১২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে ইউএনও বরাবর অভিযোগ

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বাতাসন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেনডেন্ট মো. শফিউল আলমের বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ১২ লাখ টাকা গ্রহণ করে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্তৃপক্ষ, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মো. আনোয়ারুল ইসলাম (আনোয়ার)।

অভিযোগপত্রে আনোয়ারুল ইসলাম উল্লেখ করেন, তিনি উপজেলার শিকারপুর মণ্ডলপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে তিন কিস্তিতে বাতাসন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার কাছ থেকে মোট ১২ লাখ টাকা গ্রহণ করেন সুপারিন্টেনডেন্ট মো. শফিউল আলম।

অভিযোগে বলা হয়, টাকা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করতে পরবর্তীতে ১০০ টাকা মূল্যমানের তিনটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে একটি অঙ্গীকারনামাও সম্পাদন করা হয়। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও চাকরি না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হয়।

ভুক্তভোগীর দাবি, পরে তিনি জানতে পারেন, তার মতো আরও অনেকের কাছ থেকেও চাকরি দেওয়ার কথা বলে মোটা অঙ্কের টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তিনি নিজের ১২ লাখ টাকা ফেরত চাইলে অভিযুক্ত নানা অজুহাতে টালবাহানা করতে থাকেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বাতাসন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় কর্মরত তার স্ত্রী রায়হানা খাতুনকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন মাদ্রাসার সুপারিন্টেনডেন্ট মো. শফিউল আলম।

এছাড়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২৬ সালের ১০ এপ্রিল রায়হানা খাতুন জেলা প্রশাসক, উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পৃথক অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি জানান, ২০১৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বাতাসন ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় সহকারী মৌলভী পদে যোগদান করেন। পরবর্তীতে তিনি বিধি অনুযায়ী ১০ম গ্রেড থেকে ৯ম গ্রেডে উন্নীত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করলেও প্রতিষ্ঠানের সুপারিন্টেনডেন্ট তার প্রাপ্য অনুমোদনের জন্য মহাপরিচালক, শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দীর্ঘদিন ধরে পাঠাননি।

এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবগত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার পাওনা অর্থ ফেরত পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযুক্ত মাদ্রাসার সুপারিন্টেনডেন্ট মো. শফিউল আলমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ | Globe kalprakash.com

মিঠাপুকুরে চাকরি দেওয়ার নামে ১২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে ইউএনও বরাবর অভিযোগ

বিস্তারিত কমেন্টে