মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬ | ১৯ শ্রাবণ, ১৪৩৩ | ১৯ সফর, ১৪৪৮ | রাত ১:২২:২৫

গাজায় যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে লন্ডনে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

কাল প্রকাশ
প্রকাশ: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:২২
শেয়ার: mail
গাজায় যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে লন্ডনে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

কাল প্রকাশ। ছবি: সংগৃহীত

হাজার হাজার মানুষ যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে জড়ো হয়ে গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন। বিক্ষোভকারীরা নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের প্রতি অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

শনিবার লন্ডনে অনুষ্ঠিত এ বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, অ্যান্ডি বার্নহ্যাম যেন ইসরায়েলের ওপর অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন এবং তেল আবিবের সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে গাজায় অবরোধ ও যুদ্ধ বন্ধে উদ্যোগ নেন। তাদের দাবি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত গাজায় ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

যুক্তরাজ্যে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত হুসাম জোমলট বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে লন্ডনের এ মিছিলে অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীরা ফিলিস্তিনের সমর্থনে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং প্ল্যাকার্ড বহন করেন।

বিদায়ী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বে গাজা ইস্যুতে লেবার পার্টির অবস্থান ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে। সমালোচকদের অভিযোগ, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের ক্রমবর্ধমান অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাঁর সরকার দেশটিতে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রেখেছিল।

হুসাম জোমলট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, তিন বছর ধরে চলা এই গণহত্যার মধ্যে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির দাবি ব্রিটেনসহ সারা বিশ্বে আরও জোরালো হচ্ছে।

সমালোচকদের মতে, স্টারমার সরকার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মূলত প্রতীকী পদক্ষেপ নিয়েছিল। এর মধ্যে কট্টর ডানপন্থী মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির ও বেজালেল স্মোত্রিচের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ অন্যতম।

নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সামনে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, শিক্ষার্থী ঋণের বোঝা, সাশ্রয়ী মূল্যের আবাসনের সংকট এবং গাজা ইস্যুতে লেবার পার্টির অবস্থান নিয়ে দলের একাংশের অসন্তোষসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

লেবার পার্টির সাবেক নেতা জেরেমি করবিন, যিনি স্টারমারের আমলে দল থেকে বহিষ্কৃত হন, তিনিও এ বিক্ষোভে অংশ নেন। তিনি অ্যান্ডি বার্নহ্যামের প্রতি যুক্তরাজ্যের গণহত্যায় সম্পৃক্ততা বন্ধ করার আহ্বান জানান।

এক্সে করবিন লিখেছেন, আজ লন্ডনে হাজার হাজার মানুষ নতুন প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি বার্তা দিতে এসেছি। আমরা হারিয়ে যাচ্ছি না, আমরা কোথাও যাচ্ছি না এবং ফিলিস্তিনের মুক্তির জন্য আমাদের আন্দোলন কখনো থামবে না। যুক্তরাজ্যের গণহত্যায় সম্পৃক্ততা এখনই বন্ধ করুন।

সূত্র: আল-জাজিরা

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward