বাংলাদেশ ০৫:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo কিচেন কেবিনেটের সদস্য ছিলাম না: আসিফ মাহমুদ Logo পাকিস্তান নৌবাহিনীর নতুন শক্তি: করভেটে যুক্ত হলো আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা Logo গাজাগামী ত্রাণকর্মীদের সঙ্গে ইসরায়েলি আচরণ ‘জঘন্য’ ও ‘অগ্রহণযোগ্য’—কানাডার কঠোর নিন্দা Logo হামেস রদ্রিগেজের নেতৃত্বে ২০২৬ বিশ্বকাপের দল ঘোষণা কলম্বিয়ার Logo ইসরায়েলকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের ক্যানসার’ আখ্যা দিলেন খামেনি Logo ঈদকে ঘিরে কোনো সুনির্দিষ্ট নাশকতার হুমকি নেই: র‍্যাব ডিজি Logo ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করা এনপিটি-বিরোধী: রুশ প্রতিনিধি উলিয়ানভ Logo সৈয়দপুর ফেয়ার পার্কে আজ শুরু হচ্ছে গ্রামীণ ও কুটির শিল্প মেলা-২০২৬ Logo হঠাৎ পিছিয়ে গেল পূজা চেরীর ‘নাকফুলের কাব্য’ সিনেমা Logo বিয়ের ১০ বছর পর যমজ সন্তানের মা হলেন অভিনেত্রী দিব্যাঙ্কা ত্রিপাঠী

মিঠাপুকুরে আ.লীগ নেতার দাদন ব্যবসা ও জেল-জুলুমের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন


‎মিঠাপুকুরে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর জেল-জুলুম, নির্যাতন এবং অবৈধ দাদন ব্যবসার মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে বালুয়া মাসিমপুর ইউনিয়ন আঃলীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিম চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী’রা।

‎​মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে মিঠাপুকুর প্রেসক্লাবে ভুক্তভোগীদের আয়োজনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

‎​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সেলিম সরকার এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। তিনি বালুয়া বাজারে ‘মেসার্স চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ’ এবং ‘সাফল্য এন্টারপ্রাইজ’ নামে দুটি অনিবন্ধিত ভূয়া এনজিও খুলে বসেন। এর মাধ্যমে তিনি সহজ শর্তে ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে থেকে অগ্রিম ব্ল্যাঙ্ক চেক এবং স্বাক্ষর করা ফাঁকা স্ট্যাম্প নিতেন। পরবর্তীতে তিনি ঋণের আসল টাকা পরিশোধ করার পরও চড়া সুদ দাবি করতেন এবং চেক-স্ট্যাম্প জালিয়াতি করে আদালতে মিথ্যা মামলা দিতেন।

‎​মোয়াজ্জেম হোসেন নামে এক ভুক্তভোগী জানান, দোকান পুড়ে যাওয়ার পর ঘুরে দাঁড়াতে তিনি ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দৈনিক কিস্তিতপ ঋণ নিয়েছিলেন। ৭৩ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও অবশিষ্ট টাকার জন্য তার নামে ৯ লাখ ৭০ হাজার টাকার মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে, বলে তিনি জানান।

‎​রাজু আহম্মেদ নামে, আরেক এক ভুক্তভোগী জানান, আমি ১ লাখ ৫০০০০ টাকা ঋণ নিয়ে সঞ্চয়সহ ১ লাখ ৫ হাজার টাকা শোধ করেছি, কিন্তু সেলিম চৌধুরী তার স্বাক্ষর করা চেকে ইচ্ছামতো অংক বসিয়ে আদালতে ১৭ লাখ ২০ হাজার টাকার মামলা দায়ের করেন।

‎​ভূক্তভোগীরা আরো অভিযোগ করে বলেন, সেলিম চৌধুরীর ইন্ধনে বর্তমানে তারা একাধিক মিথ্যা মামলার ঘানি টানছেন এবং চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলনে অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানানো হয়।

‎অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সেলিম চৌধুরী বলেন, আমি তাদের টাকা হাওলাত দিয়েছি। তবে এনজিও খুলে ঋণ দেওয়ার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন।

‎​সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
মিঠাপুকুরে আ.লীগ নেতার দাদন ব্যবসা ও জেল-জুলুমের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

কিচেন কেবিনেটের সদস্য ছিলাম না: আসিফ মাহমুদ

মিঠাপুকুরে আ.লীগ নেতার দাদন ব্যবসা ও জেল-জুলুমের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: ০৪:২৩:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬


‎মিঠাপুকুরে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর জেল-জুলুম, নির্যাতন এবং অবৈধ দাদন ব্যবসার মাধ্যমে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে বালুয়া মাসিমপুর ইউনিয়ন আঃলীগের সাধারণ সম্পাদক সেলিম চৌধুরীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী’রা।

‎​মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে মিঠাপুকুর প্রেসক্লাবে ভুক্তভোগীদের আয়োজনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

‎​সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সেলিম সরকার এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। তিনি বালুয়া বাজারে ‘মেসার্স চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ’ এবং ‘সাফল্য এন্টারপ্রাইজ’ নামে দুটি অনিবন্ধিত ভূয়া এনজিও খুলে বসেন। এর মাধ্যমে তিনি সহজ শর্তে ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে থেকে অগ্রিম ব্ল্যাঙ্ক চেক এবং স্বাক্ষর করা ফাঁকা স্ট্যাম্প নিতেন। পরবর্তীতে তিনি ঋণের আসল টাকা পরিশোধ করার পরও চড়া সুদ দাবি করতেন এবং চেক-স্ট্যাম্প জালিয়াতি করে আদালতে মিথ্যা মামলা দিতেন।

‎​মোয়াজ্জেম হোসেন নামে এক ভুক্তভোগী জানান, দোকান পুড়ে যাওয়ার পর ঘুরে দাঁড়াতে তিনি ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দৈনিক কিস্তিতপ ঋণ নিয়েছিলেন। ৭৩ হাজার টাকা পরিশোধ করলেও অবশিষ্ট টাকার জন্য তার নামে ৯ লাখ ৭০ হাজার টাকার মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে, বলে তিনি জানান।

‎​রাজু আহম্মেদ নামে, আরেক এক ভুক্তভোগী জানান, আমি ১ লাখ ৫০০০০ টাকা ঋণ নিয়ে সঞ্চয়সহ ১ লাখ ৫ হাজার টাকা শোধ করেছি, কিন্তু সেলিম চৌধুরী তার স্বাক্ষর করা চেকে ইচ্ছামতো অংক বসিয়ে আদালতে ১৭ লাখ ২০ হাজার টাকার মামলা দায়ের করেন।

‎​ভূক্তভোগীরা আরো অভিযোগ করে বলেন, সেলিম চৌধুরীর ইন্ধনে বর্তমানে তারা একাধিক মিথ্যা মামলার ঘানি টানছেন এবং চরম হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলনে অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানানো হয়।

‎অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সেলিম চৌধুরী বলেন, আমি তাদের টাকা হাওলাত দিয়েছি। তবে এনজিও খুলে ঋণ দেওয়ার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন।

‎​সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
মিঠাপুকুরে আ.লীগ নেতার দাদন ব্যবসা ও জেল-জুলুমের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন