রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন ফেরত দেওয়ার বিষয়ে আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার (১১ মে) সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন থেকে রায়ের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর এই রায়ের পূর্ণাঙ্গ প্রকাশকে কেন্দ্র করে আবারও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
২০০৮ সালের নভেম্বরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন দেয়। তবে এই নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০০৯ সালে রিট দায়ের করেন সৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরীসহ ২৫ জন ব্যক্তি। পরবর্তীতে ২০১৩ সালের ১ আগস্ট হাইকোর্টের তিন সদস্যের বৃহত্তর বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে জামায়াতের নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করে এবং একই সঙ্গে আপিলের অনুমতিও দেয়।
হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে জামায়াতের করা আপিল ও লিভ টু আপিল ২০২৩ সালের ১৯ নভেম্বর খারিজ হয়ে যায়, কারণ সেদিন আপিলকারীর পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। পরে ২০২৪ সালের ২২ অক্টোবর আপিল বিভাগ দেরি মার্জনা করে আপিল পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর নিয়মিত শুনানি শুরু হয়ে ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর থেকে বিষয়টি কার্যতালিকায় ওঠে এবং দীর্ঘ শুনানি শেষে ১ জুন ২০২৬ আপিল বিভাগ চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে ২০১৮ সালের ৭ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল। পরে ২০২৪ সালের ১ আগস্ট জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করে দেওয়া প্রজ্ঞাপনও পরবর্তীতে বাতিল করা হয়। সর্বশেষ রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিষয়টি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।
অনলাইন ডেস্ক 























