বাংলাদেশ ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা, হাইকোর্টের রায়

হাইকোর্ট

গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে—এই তথ্য প্রকাশ করা যাবে না বলে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও প্রকাশ নারীর প্রতি বৈষম্য বাড়ায়, কন্যাশিশু হত্যার ঝুঁকি তৈরি করে এবং এটি সংবিধানে স্বীকৃত সমতা ও জীবনের অধিকারের পরিপন্থি। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এ রায় ঘোষণা করেন। সোমবার প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়ে আদালত এ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।

রায়ে আদালত বলেন, শুধু গাইডলাইন প্রণয়ন করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; কার্যকর বাস্তবায়ন, নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য নিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনাগত শিশুর ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট সংরক্ষণ ও তদারকির লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে এই ডাটাবেজ চালু ও নিয়মিত হালনাগাদ করার নির্দেশও দেন আদালত।

আদালত আরও উল্লেখ করেন, ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণের মাধ্যমে কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে বৈষম্য ও সম্ভাব্য নারী ভ্রূণ হত্যার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা সংবিধানের ১৮, ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ভারতসহ বিভিন্ন দেশে এ ধরনের কার্যক্রম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। আদালত এ নির্দেশনাকে কনটিনিউয়াস ম্যানডামাস হিসেবে ঘোষণা করেছেন, যাতে ভবিষ্যতে নির্দেশনার বাস্তবায়ন তদারকি করা যায়।

kalprakash.com/SS
জনপ্রিয় সংবাদ

গর্ভের সন্তানের লিঙ্গ প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা, হাইকোর্টের রায়

প্রকাশিত: ১২:১৯:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে—এই তথ্য প্রকাশ করা যাবে না বলে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও প্রকাশ নারীর প্রতি বৈষম্য বাড়ায়, কন্যাশিশু হত্যার ঝুঁকি তৈরি করে এবং এটি সংবিধানে স্বীকৃত সমতা ও জীবনের অধিকারের পরিপন্থি। বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এ রায় ঘোষণা করেন। সোমবার প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায়ে আদালত এ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।

রায়ে আদালত বলেন, শুধু গাইডলাইন প্রণয়ন করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না; কার্যকর বাস্তবায়ন, নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য নিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনাগত শিশুর ডায়াগনস্টিক রিপোর্ট সংরক্ষণ ও তদারকির লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেজ তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে এই ডাটাবেজ চালু ও নিয়মিত হালনাগাদ করার নির্দেশও দেন আদালত।

আদালত আরও উল্লেখ করেন, ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণের মাধ্যমে কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে বৈষম্য ও সম্ভাব্য নারী ভ্রূণ হত্যার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা সংবিধানের ১৮, ২৭, ২৮, ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ভারতসহ বিভিন্ন দেশে এ ধরনের কার্যক্রম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। আদালত এ নির্দেশনাকে কনটিনিউয়াস ম্যানডামাস হিসেবে ঘোষণা করেছেন, যাতে ভবিষ্যতে নির্দেশনার বাস্তবায়ন তদারকি করা যায়।

kalprakash.com/SS