এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) মার্চ-এপ্রিল ২০২৬ মেয়াদের আমদানি বিল বাবদ ১৫১ কোটি ৪০ লাখ ডলার পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ অর্থ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে সমন্বয় করা হবে, ফলে রিজার্ভে আবারও চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (৬ মে) দিন শেষে দেশের মোট বা গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভ রয়েছে ৩০ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আকুর বিল পরিশোধের পর সাধারণত রিজার্ভ কিছুটা কমে যায়। তবে হিসাব সমন্বয়ে কয়েকদিন সময় লাগায় এর প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান হয় না।
এর আগে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মেয়াদে আকুর বিল ছিল ১৩৬ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। এছাড়া নভেম্বর-ডিসেম্বর সময়ে ১৫৩ কোটি ডলার এবং সেপ্টেম্বর-অক্টোবর সময়ে ১৬১ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়। আরও আগের দুই মাসেও প্রায় ১৫০ কোটি ডলারের বিল মেটানো হয়েছিল।
আকু হলো এশিয়ার কয়েকটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যে গড়ে ওঠা একটি আন্তঃআঞ্চলিক লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর আমদানি-রপ্তানি লেনদেন প্রতি দুই মাস অন্তর সমন্বয় করা হয়।
বর্তমানে আকুর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, ভুটান ও মালদ্বীপ।
অনলাইন ডেস্ক 























