পারমাণবিক শক্তির ব্যবহারিক যুগে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করল বাংলাদেশ। পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের চুল্লিতে ইউরেনিয়াম জ্বালানি স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় নাম লিখিয়েছে বাংলাদেশ।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আগে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও চূড়ান্ত ধাপ। এখন ধাপে ধাপে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। আগামী আগস্ট-সেপ্টেম্বর নাগাদ জাতীয় গ্রিডে প্রথম দফায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক অবকাঠামো প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাস্তবায়ন করছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন। প্রকল্পটির আওতায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার দুটি ইউনিট নির্মাণ করছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান অ্যাটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, ইউরেনিয়াম লোডিং শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ নতুন এক যুগে প্রবেশ করল। রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও দূরদর্শিতার ফলেই এমন অর্জন সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটমের মহাপরিচালক অ্যালেক্সি লিখাচেভ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 
























