যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সম্ভাব্য আলোচনাকে ঘিরে অনিশ্চয়তা ও ধোঁয়াশা অব্যাহত রয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ চললেও এখনো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার বরাতে জানা গেছে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন।
তবে আলোচনার প্রধান বাধা হিসেবে উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের হরমুজ প্রণালি ও ইরানের কিছু বন্দর অবরোধ সংক্রান্ত অবস্থান। এ ছাড়া লেবাননের পরিস্থিতি, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যু নিয়েও দুই পক্ষের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।
সূত্র জানায়, সম্ভাব্য আলোচনার জন্য পাকিস্তান গত এক সপ্তাহ ধরে প্রস্তুতি নিলেও ইরান ইসলামাবাদে আলোচনায় অংশ নেবে কি না—সে বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি।
কূটনৈতিক মহলের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্র যদি অবরোধ সংক্রান্ত অবস্থান শিথিল না করে, তাহলে ইরানের প্রতিনিধিদলের আলোচনায় অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।
এর মধ্যেই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর উদ্যোগের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের উপ-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের ইসলামাবাদ সফরের পরিকল্পনা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এখনো অস্থির ও অনিশ্চিত। ইরানকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে ফেরানো যাবে কি না—এটাই এখন আন্তর্জাতিক মহলের প্রধান প্রশ্ন।
kalprakash.com/SS
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 



















