বাংলাদেশ ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo বেরোবির নতুন উপাচার্য ঢাবির মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান Logo নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন Logo কুবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরীফুল করীম Logo আড়াই মাস পর খুলল হরমুজ প্রণালি, চীনের জাহাজগুলোকে সীমিত অনুমতি দিল ইরান Logo ট্রাম্প–শি জিনপিং বৈঠকে ইরান ইস্যুতে ঐকমত্য, হরমুজ প্রণালি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত Logo ঈদযাত্রায় ঝুঁকি এড়াতে বিআইডব্লিউটিএর ১৬ দফা নির্দেশনা Logo ঈদের ছুটি পাবেন না যারা, কোন কোন পেশা থাকছে আওতার বাইরে Logo শীর্ষ সন্ত্রাসী জাহিদুল ইসলাম গ্রেপ্তার, অস্ত্র-গোলাবারুদ ও মাদক জব্দ Logo বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হতে পারেন মেসি-রোনালদো Logo ঈদুল আজহায় ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারি

৩ মাসে সারা দেশে ৮৫৪ খুন, ঢাকায় ১০৭: রাজধানীতে বাড়ছে অপরাধ ও সন্ত্রাস

ছবিঃ সংগৃহীত

দেশজুড়ে হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে বলে পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যে জানা গেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মাত্র তিন মাসে সারা দেশে ৮৫৪টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে রাজধানী ঢাকায় ঘটেছে ১০৭টি হত্যাকাণ্ড।

তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ২৮৭টি, ফেব্রুয়ারিতে ২৫০টি এবং মার্চে ৩১৭টি হত্যাকাণ্ড রেকর্ড করা হয়েছে। ঢাকায় মাসভিত্তিক হিসাবে জানুয়ারিতে ৩৬টি, ফেব্রুয়ারিতে ৩৮টি এবং মার্চে ৩৩টি খুনের ঘটনা ঘটে।

চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৫ দিনেই রাজধানীতে অন্তত ১৬টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র জানিয়েছেন, সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। একইসঙ্গে জামিনে থাকা সন্দেহভাজনদের গতিবিধিও নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। চাঁদাবাজি, জমি দখল, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ এবং মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এসব চক্রের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ ঘটছে, যার জেরে একাধিক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

বিশেষ করে ঢাকার মোহাম্মদপুর, মিরপুর, হাজারীবাগ, ধানমন্ডি, ফার্মগেট, কাওরানবাজার ও তেজগাঁও এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেশি হচ্ছে বলে জানা গেছে। এসব এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী তৎপরতা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, বিভিন্ন শীর্ষ সন্ত্রাসী দেশ ও বিদেশ থেকে নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। মোবাইল ফোন ও স্থানীয় সহযোগীদের মাধ্যমে তারা চাঁদাবাজি ও হুমকির মতো অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

র‌্যাব ও পুলিশ জানিয়েছে, সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপরাধচক্র ভেঙে দিতে সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ প্রয়োজন।

অন্যদিকে, বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থকেন্দ্রিক সংঘাত এবং টেন্ডার বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের প্রতিযোগিতাই রাজধানীতে অপরাধ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করছে।

kalprakash.com/SS

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

বেরোবির নতুন উপাচার্য ঢাবির মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান

৩ মাসে সারা দেশে ৮৫৪ খুন, ঢাকায় ১০৭: রাজধানীতে বাড়ছে অপরাধ ও সন্ত্রাস

প্রকাশিত: ১১:৪১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

দেশজুড়ে হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে বলে পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্যে জানা গেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মাত্র তিন মাসে সারা দেশে ৮৫৪টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে রাজধানী ঢাকায় ঘটেছে ১০৭টি হত্যাকাণ্ড।

তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে ২৮৭টি, ফেব্রুয়ারিতে ২৫০টি এবং মার্চে ৩১৭টি হত্যাকাণ্ড রেকর্ড করা হয়েছে। ঢাকায় মাসভিত্তিক হিসাবে জানুয়ারিতে ৩৬টি, ফেব্রুয়ারিতে ৩৮টি এবং মার্চে ৩৩টি খুনের ঘটনা ঘটে।

চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৫ দিনেই রাজধানীতে অন্তত ১৬টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র জানিয়েছেন, সন্ত্রাস ও অপরাধ দমনে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। একইসঙ্গে জামিনে থাকা সন্দেহভাজনদের গতিবিধিও নজরদারিতে রাখা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসীদের নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। চাঁদাবাজি, জমি দখল, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ এবং মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে এসব চক্রের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ ঘটছে, যার জেরে একাধিক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।

বিশেষ করে ঢাকার মোহাম্মদপুর, মিরপুর, হাজারীবাগ, ধানমন্ডি, ফার্মগেট, কাওরানবাজার ও তেজগাঁও এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেশি হচ্ছে বলে জানা গেছে। এসব এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী তৎপরতা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, বিভিন্ন শীর্ষ সন্ত্রাসী দেশ ও বিদেশ থেকে নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। মোবাইল ফোন ও স্থানীয় সহযোগীদের মাধ্যমে তারা চাঁদাবাজি ও হুমকির মতো অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

র‌্যাব ও পুলিশ জানিয়েছে, সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপরাধচক্র ভেঙে দিতে সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ প্রয়োজন।

অন্যদিকে, বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থকেন্দ্রিক সংঘাত এবং টেন্ডার বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের প্রতিযোগিতাই রাজধানীতে অপরাধ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করছে।

kalprakash.com/SS