বাংলাদেশ ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo বেরোবির নতুন উপাচার্য ঢাবির মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান Logo নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন Logo কুবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরীফুল করীম Logo আড়াই মাস পর খুলল হরমুজ প্রণালি, চীনের জাহাজগুলোকে সীমিত অনুমতি দিল ইরান Logo ট্রাম্প–শি জিনপিং বৈঠকে ইরান ইস্যুতে ঐকমত্য, হরমুজ প্রণালি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত Logo ঈদযাত্রায় ঝুঁকি এড়াতে বিআইডব্লিউটিএর ১৬ দফা নির্দেশনা Logo ঈদের ছুটি পাবেন না যারা, কোন কোন পেশা থাকছে আওতার বাইরে Logo শীর্ষ সন্ত্রাসী জাহিদুল ইসলাম গ্রেপ্তার, অস্ত্র-গোলাবারুদ ও মাদক জব্দ Logo বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হতে পারেন মেসি-রোনালদো Logo ঈদুল আজহায় ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারি

স্পেনে ৫ লাখ কাগজপত্রবিহীন অভিবাসীকে বৈধতার সুযোগ, সেবাকেন্দ্রে দীর্ঘ ভিড়

সংগৃহীত ছবি

স্পেনে প্রায় ৫ লাখ কাগজপত্রবিহীন অভিবাসীকে বৈধতার সুযোগ দিয়েছে দেশটির সরকার। নতুন এই সাধারণ ক্ষমা কর্মসূচি চালুর পর থেকেই নিবন্ধন অফিসগুলোতে দেখা দিয়েছে ব্যাপক ভিড় ও দীর্ঘ সারি।

২০ এপ্রিল থেকে সশরীরে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন শহরের নিবন্ধন কেন্দ্রের সামনে রাতভর অপেক্ষা করছেন অভিবাসীরা। অনেকেই শীতের মধ্যেও কম্বল, বালিশ ও মাদুর নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১৬ এপ্রিল অনলাইন আবেদন শুরুর পর ২০ এপ্রিল থেকে সরাসরি আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশেষ করে আলমেরিয়া, বার্সেলোনা, বিলবাওসহ বিভিন্ন শহরের সিটি হল ও নিবন্ধন অফিসের সামনে অভিবাসীদের দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা গেছে। অনেক জায়গায় ভোর থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন আবেদনকারীরা।

অভিবাসীরা জানান, দীর্ঘ অপেক্ষা ও ভোগান্তি সত্ত্বেও তারা বৈধভাবে স্পেনে বসবাসের সুযোগ পাওয়াকে জীবনের বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন। কেউ কেউ বলছেন, এই সুযোগ তাদের ভবিষ্যৎ ও কর্মজীবন বদলে দেবে।

অন্যদিকে, অনেক আবেদনকারী অভিযোগ করেছেন যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকায় তারা সমস্যায় পড়ছেন। কোথাও কোথাও বিশৃঙ্খলা ও লাইনে অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্পেনের বার্ধক্যজনিত জনসংখ্যা সংকট মোকাবিলা এবং শ্রমবাজারে ঘাটতি পূরণে অভিবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ফাঙ্কাসের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নতুন চাকরির বড় একটি অংশই পূরণ করেছেন অভিবাসীরা, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।

ইউরোপের কঠোর অভিবাসন নীতির মধ্যে স্পেনের এই উদ্যোগকে মানবিক ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন।

kalprakash.com/SS

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

বেরোবির নতুন উপাচার্য ঢাবির মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান

স্পেনে ৫ লাখ কাগজপত্রবিহীন অভিবাসীকে বৈধতার সুযোগ, সেবাকেন্দ্রে দীর্ঘ ভিড়

প্রকাশিত: ১১:২৪:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

স্পেনে প্রায় ৫ লাখ কাগজপত্রবিহীন অভিবাসীকে বৈধতার সুযোগ দিয়েছে দেশটির সরকার। নতুন এই সাধারণ ক্ষমা কর্মসূচি চালুর পর থেকেই নিবন্ধন অফিসগুলোতে দেখা দিয়েছে ব্যাপক ভিড় ও দীর্ঘ সারি।

২০ এপ্রিল থেকে সশরীরে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন শহরের নিবন্ধন কেন্দ্রের সামনে রাতভর অপেক্ষা করছেন অভিবাসীরা। অনেকেই শীতের মধ্যেও কম্বল, বালিশ ও মাদুর নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১৬ এপ্রিল অনলাইন আবেদন শুরুর পর ২০ এপ্রিল থেকে সরাসরি আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিশেষ করে আলমেরিয়া, বার্সেলোনা, বিলবাওসহ বিভিন্ন শহরের সিটি হল ও নিবন্ধন অফিসের সামনে অভিবাসীদের দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা গেছে। অনেক জায়গায় ভোর থেকেই লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন আবেদনকারীরা।

অভিবাসীরা জানান, দীর্ঘ অপেক্ষা ও ভোগান্তি সত্ত্বেও তারা বৈধভাবে স্পেনে বসবাসের সুযোগ পাওয়াকে জীবনের বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন। কেউ কেউ বলছেন, এই সুযোগ তাদের ভবিষ্যৎ ও কর্মজীবন বদলে দেবে।

অন্যদিকে, অনেক আবেদনকারী অভিযোগ করেছেন যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকায় তারা সমস্যায় পড়ছেন। কোথাও কোথাও বিশৃঙ্খলা ও লাইনে অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্পেনের বার্ধক্যজনিত জনসংখ্যা সংকট মোকাবিলা এবং শ্রমবাজারে ঘাটতি পূরণে অভিবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। থিঙ্ক ট্যাঙ্ক ফাঙ্কাসের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নতুন চাকরির বড় একটি অংশই পূরণ করেছেন অভিবাসীরা, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।

ইউরোপের কঠোর অভিবাসন নীতির মধ্যে স্পেনের এই উদ্যোগকে মানবিক ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন।

kalprakash.com/SS