অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার সাবেক দুই ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মুহাম্মদ তুহিন ফারাবী ও মো. মাহমুদুল হাসান। প্রায় এক বছর অনুসন্ধান চালিয়ে তাদের বিরুদ্ধে আনা শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগের কোনো সত্যতা পায়নি দুর্নীতি দমন কমিশন।
ফলে অভিযোগটি আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত করে তাদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
দুদকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিদায়ী কমিশনের অনুমোদনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়।
অনলাইন সংবাদমাধ্যম ঢাকা পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথমে তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, তদবির বাণিজ্য ও অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ ওঠে। এরপর দুদক তাদের সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দিয়ে পৃথকভাবে অনুসন্ধান শুরু করে।
দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর কমিশন সিদ্ধান্ত নেয় যে অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে বিগত কমিশনের অনুমোদনে চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলাটি পরিসমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।
তুহিন ফারাবীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছিল। তবে অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। একইভাবে মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধেও অবৈধ সম্পদ অর্জনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
অব্যাহতি পাওয়ার পর তুহিন ফারাবী বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে হয়রানি করা হয়েছিল। অন্যদিকে মাহমুদুল হাসান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগই ভিত্তিহীন।
অভিযোগের সূত্রপাত হয়েছিল বিভিন্ন সংগঠন ও আইনজীবীদের পক্ষ থেকে দাখিল করা পৃথক অভিযোগের মাধ্যমে। পরে তা আমলে নিয়ে ২০২৫ সালের মে মাসে দুদক আনুষ্ঠানিকভাবে অনুসন্ধান শুরু করে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 























