বাংলাদেশ ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo বেরোবির নতুন উপাচার্য ঢাবির মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান Logo নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন Logo কুবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরীফুল করীম Logo আড়াই মাস পর খুলল হরমুজ প্রণালি, চীনের জাহাজগুলোকে সীমিত অনুমতি দিল ইরান Logo ট্রাম্প–শি জিনপিং বৈঠকে ইরান ইস্যুতে ঐকমত্য, হরমুজ প্রণালি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত Logo ঈদযাত্রায় ঝুঁকি এড়াতে বিআইডব্লিউটিএর ১৬ দফা নির্দেশনা Logo ঈদের ছুটি পাবেন না যারা, কোন কোন পেশা থাকছে আওতার বাইরে Logo শীর্ষ সন্ত্রাসী জাহিদুল ইসলাম গ্রেপ্তার, অস্ত্র-গোলাবারুদ ও মাদক জব্দ Logo বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হতে পারেন মেসি-রোনালদো Logo ঈদুল আজহায় ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারি

ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের নিরাপত্তায় পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠনে প্রাথমিক সম্মতি

ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। ছবি : সংগৃহীত

ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে একটি স্বতন্ত্র ইউনিট গঠনের প্রস্তাবে প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছে পুলিশ। নবনির্বাচিত সরকারের কাছে এই প্রস্তাবটি পুনরায় উত্থাপন করে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদারের অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

ঢাকার মার্কিন দূতাবাস সূত্রে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়। একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একই প্রস্তাব নাকচ করা হলেও এবার বিষয়টি নতুন করে অগ্রগতি পেয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির-এর সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ৩০ সদস্যের একটি বিশেষ ইউনিট গঠনের কথা বলা হয়েছে, যার নেতৃত্বে থাকবেন একজন উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক। এই ইউনিটের দায়িত্ব হবে ঢাকায় মার্কিন কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

শুরুতে এই ইউনিটের নেতৃত্বে দূতাবাসের নিজস্ব আঞ্চলিক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে রাখার প্রস্তাব দেওয়া হলেও বাংলাদেশ পুলিশের আপত্তির কারণে পরে ডিআইজির নেতৃত্বে কাঠামোতে সম্মতি দেওয়া হয়।

প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের স্পিয়ার কর্মসূচির অধীনে পরিচালিত হওয়ার কথা রয়েছে, যার লক্ষ্য কূটনৈতিক মিশনগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা।

২০২৫ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ উভয় পক্ষই এ ধরনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল। তখন যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, বাংলাদেশে ইতিমধ্যে কূটনৈতিক নিরাপত্তা বিভাগ রয়েছে, যা সব বিদেশি মিশনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। কেবল একটি দূতাবাসের জন্য আলাদা ইউনিট গঠন বৈষম্যমূলক হতে পারে বলেও তখন মত দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে কূটনৈতিক মহলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, একটি নির্দিষ্ট দূতাবাসের জন্য আলাদা নিরাপত্তা ইউনিট গঠন করা হলে অন্য মিশনগুলোর মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিতে পারে। সাবেক কূটনীতিক হুমায়ুন কবির মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উদ্বেগ বিবেচনা করা প্রয়োজন হলেও সব মিশনের জন্য সমান নিরাপত্তা নীতি বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

বেরোবির নতুন উপাচার্য ঢাবির মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান

ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের নিরাপত্তায় পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠনে প্রাথমিক সম্মতি

প্রকাশিত: ১১:১৭:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে একটি স্বতন্ত্র ইউনিট গঠনের প্রস্তাবে প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছে পুলিশ। নবনির্বাচিত সরকারের কাছে এই প্রস্তাবটি পুনরায় উত্থাপন করে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদারের অনুরোধ জানানো হয়েছে বলে জানা গেছে।

ঢাকার মার্কিন দূতাবাস সূত্রে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়। একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় একই প্রস্তাব নাকচ করা হলেও এবার বিষয়টি নতুন করে অগ্রগতি পেয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে পুলিশ মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির-এর সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের একটি প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ৩০ সদস্যের একটি বিশেষ ইউনিট গঠনের কথা বলা হয়েছে, যার নেতৃত্বে থাকবেন একজন উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক। এই ইউনিটের দায়িত্ব হবে ঢাকায় মার্কিন কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

শুরুতে এই ইউনিটের নেতৃত্বে দূতাবাসের নিজস্ব আঞ্চলিক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে রাখার প্রস্তাব দেওয়া হলেও বাংলাদেশ পুলিশের আপত্তির কারণে পরে ডিআইজির নেতৃত্বে কাঠামোতে সম্মতি দেওয়া হয়।

প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের স্পিয়ার কর্মসূচির অধীনে পরিচালিত হওয়ার কথা রয়েছে, যার লক্ষ্য কূটনৈতিক মিশনগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করা।

২০২৫ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ উভয় পক্ষই এ ধরনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল। তখন যুক্তি দেওয়া হয়েছিল, বাংলাদেশে ইতিমধ্যে কূটনৈতিক নিরাপত্তা বিভাগ রয়েছে, যা সব বিদেশি মিশনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। কেবল একটি দূতাবাসের জন্য আলাদা ইউনিট গঠন বৈষম্যমূলক হতে পারে বলেও তখন মত দেওয়া হয়েছিল।

এদিকে কূটনৈতিক মহলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, একটি নির্দিষ্ট দূতাবাসের জন্য আলাদা নিরাপত্তা ইউনিট গঠন করা হলে অন্য মিশনগুলোর মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিতে পারে। সাবেক কূটনীতিক হুমায়ুন কবির মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উদ্বেগ বিবেচনা করা প্রয়োজন হলেও সব মিশনের জন্য সমান নিরাপত্তা নীতি বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

kalprakash.com/SS