হরমুজ প্রণালিতে সমুদ্রের মাইন অপসারণে অভিযান শুরু করতে মার্কিন নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টকম এ তথ্য জানিয়েছে।
সেন্টকম জানায়, ইরানের পেতে রাখা মাইন অপসারণের কাজ শুরু করতে যুদ্ধজাহাজ দুটি প্রণালি অতিক্রম করেছে। তবে তেহরান এ দাবি অস্বীকার করেছে।
ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড সতর্ক করে জানিয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে কোনো সামরিক জাহাজ প্রবেশের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে উত্তেজনা শুরুর পর এই প্রথম এমন অভিযানের ঘোষণা এল। এর কিছুক্ষণ আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন ইতোমধ্যে প্রণালিটি পরিষ্কার করার কাজ শুরু করেছে। এই পথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ অপরিশোধিত তেল পরিবাহিত হয়।
সেন্টকম কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার জানান, একটি নতুন নিরাপদ জলপথ তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। বাণিজ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে শিগগিরই এই পথ সমুদ্র পরিবহন সংশ্লিষ্টদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
তিনি বলেন, এর মাধ্যমে ওই অঞ্চলে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এই অভিযানে অংশ নেওয়া যুদ্ধজাহাজ দুটি হলো ইউএসএস ফ্র্যাঙ্ক ই. পিটারসন এবং ইউএসএস মাইকেল মারফি। সেন্টকম আরও জানায়, ভবিষ্যতে এ অভিযানে অতিরিক্ত মার্কিন বাহিনী এবং পানির নিচে চলাচলকারী ড্রোনও যুক্ত হতে পারে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি জোরালোভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। দেশটির সামরিক মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেন, প্রণালিতে কোনো জাহাজ চলাচল করবে কি না, সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর।
পরে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানায়, রেভল্যুশনারি গার্ডের নৌবাহিনী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে কোনো সামরিক জাহাজ প্রবেশের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তারা আরও জানায়, নির্দিষ্ট শর্তে কেবল বেসামরিক জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে।
সূত্র: বাসস
kalprakash.com/SS
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 





















