বাংলাদেশ ০৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo বেরোবির নতুন উপাচার্য ঢাবির মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান Logo নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন Logo কুবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরীফুল করীম Logo আড়াই মাস পর খুলল হরমুজ প্রণালি, চীনের জাহাজগুলোকে সীমিত অনুমতি দিল ইরান Logo ট্রাম্প–শি জিনপিং বৈঠকে ইরান ইস্যুতে ঐকমত্য, হরমুজ প্রণালি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত Logo ঈদযাত্রায় ঝুঁকি এড়াতে বিআইডব্লিউটিএর ১৬ দফা নির্দেশনা Logo ঈদের ছুটি পাবেন না যারা, কোন কোন পেশা থাকছে আওতার বাইরে Logo শীর্ষ সন্ত্রাসী জাহিদুল ইসলাম গ্রেপ্তার, অস্ত্র-গোলাবারুদ ও মাদক জব্দ Logo বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হতে পারেন মেসি-রোনালদো Logo ঈদুল আজহায় ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারি

খামেনির শাহাদাতের ৪০তম দিন: মুজতবা খামেনির বার্তা, শক্তিশালী ইরান গঠনের আহ্বান

সংগৃহীত ছবি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শহীদ আলী খামেনির শাহাদাতের ৪০তম দিন উপলক্ষে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন মুজতবা খামেনি। একইসঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল আগ্রাসন ও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও তিনি বিস্তারিত বক্তব্য তুলে ধরেন। বার্তা সংস্থা তাসনিম এ বার্তাটি প্রকাশ করেছে।

বার্তায় মুজতবা খামেনি বলেন, ইসলামী বিপ্লবের নেতা আলী খামেনির শাহাদাত ইরানের ইতিহাসে এক গভীর শোকের ঘটনা। তবে এই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে ইরানি জাতি প্রতিরোধের নতুন অধ্যায় শুরু করেছে।

তিনি দাবি করেন, গত চল্লিশ দিনে বিশ্বে আধিপত্যবাদী শক্তির আসল চেহারা উন্মোচিত হয়েছে। অন্যদিকে ইরানের জনগণ সাহস, ঐক্য ও দৃঢ়তার মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে এবং সংগ্রামকে মহাকাব্যে রূপ দিয়েছে।

বার্তায় খামেনির নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলা হয়, তিনি ছিলেন দূরদর্শী নেতা, আল্লাহভীরু আলেম এবং জাতীয় ঐক্যের প্রবক্তা। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও তরুণ প্রজন্মের উন্নয়নে তার বিশেষ গুরুত্ব ছিল বলেও উল্লেখ করা হয়।

মুজতবা খামেনি আরও বলেন, ইরানের সামরিক শক্তি ও প্রতিরোধ কাঠামোকে সুসংগঠিত করার ক্ষেত্রে তার বড় ভূমিকা ছিল, যার ফল সাম্প্রতিক সংঘাতে প্রতিফলিত হয়েছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, শত্রুর সঙ্গে কোনো আলোচনা শুরু হলেও জনগণের মাঠে উপস্থিতি কমানো যাবে না। বরং জাতীয় ঐক্য বজায় রেখে শক্তিশালী ইরান গঠনে সবাইকে কাজ করতে হবে।

বার্তায় হরমুজ প্রণালীসহ আঞ্চলিক ইস্যুতে কঠোর অবস্থানের কথাও উল্লেখ করা হয়। একইসঙ্গে তিনি বলেন, ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে নিজেদের অধিকার থেকে কোনোভাবেই পিছিয়ে যাবে না।

দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে পারস্পরিক সহানুভূতি, ঐক্য এবং শত্রুপক্ষের প্রচারণা থেকে সতর্ক থাকা জরুরি।

বার্তার শেষাংশে শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তাদের রক্তের প্রতিদান আদায়ের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

 

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

বেরোবির নতুন উপাচার্য ঢাবির মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান

খামেনির শাহাদাতের ৪০তম দিন: মুজতবা খামেনির বার্তা, শক্তিশালী ইরান গঠনের আহ্বান

প্রকাশিত: ০৪:৩৬:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শহীদ আলী খামেনির শাহাদাতের ৪০তম দিন উপলক্ষে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন মুজতবা খামেনি। একইসঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েল আগ্রাসন ও সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও তিনি বিস্তারিত বক্তব্য তুলে ধরেন। বার্তা সংস্থা তাসনিম এ বার্তাটি প্রকাশ করেছে।

বার্তায় মুজতবা খামেনি বলেন, ইসলামী বিপ্লবের নেতা আলী খামেনির শাহাদাত ইরানের ইতিহাসে এক গভীর শোকের ঘটনা। তবে এই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে ইরানি জাতি প্রতিরোধের নতুন অধ্যায় শুরু করেছে।

তিনি দাবি করেন, গত চল্লিশ দিনে বিশ্বে আধিপত্যবাদী শক্তির আসল চেহারা উন্মোচিত হয়েছে। অন্যদিকে ইরানের জনগণ সাহস, ঐক্য ও দৃঢ়তার মাধ্যমে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে এবং সংগ্রামকে মহাকাব্যে রূপ দিয়েছে।

বার্তায় খামেনির নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলা হয়, তিনি ছিলেন দূরদর্শী নেতা, আল্লাহভীরু আলেম এবং জাতীয় ঐক্যের প্রবক্তা। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও তরুণ প্রজন্মের উন্নয়নে তার বিশেষ গুরুত্ব ছিল বলেও উল্লেখ করা হয়।

মুজতবা খামেনি আরও বলেন, ইরানের সামরিক শক্তি ও প্রতিরোধ কাঠামোকে সুসংগঠিত করার ক্ষেত্রে তার বড় ভূমিকা ছিল, যার ফল সাম্প্রতিক সংঘাতে প্রতিফলিত হয়েছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, শত্রুর সঙ্গে কোনো আলোচনা শুরু হলেও জনগণের মাঠে উপস্থিতি কমানো যাবে না। বরং জাতীয় ঐক্য বজায় রেখে শক্তিশালী ইরান গঠনে সবাইকে কাজ করতে হবে।

বার্তায় হরমুজ প্রণালীসহ আঞ্চলিক ইস্যুতে কঠোর অবস্থানের কথাও উল্লেখ করা হয়। একইসঙ্গে তিনি বলেন, ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে নিজেদের অধিকার থেকে কোনোভাবেই পিছিয়ে যাবে না।

দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে পারস্পরিক সহানুভূতি, ঐক্য এবং শত্রুপক্ষের প্রচারণা থেকে সতর্ক থাকা জরুরি।

বার্তার শেষাংশে শহীদদের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে তাদের রক্তের প্রতিদান আদায়ের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

 

kalprakash.com/SS