বাংলাদেশ ০৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo পিসিসিপি’র উদ্যোগে রাঙ্গামাটিতে ২৫০ অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ Logo বৃদ্ধাকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটক Logo রাঙ্গামাটিতে এতিমদের মুখে হাসি, বিতরণ করা হলো ঈদ উপহার ও নগদ সহায়তা Logo নাটোরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, থানায় মামলা Logo তিস্তার ভাঙনে শেষ আশ্রয় হারাচ্ছে শতাধিক পরিবার, দিশেহারা নদীপাড়ের মানুষ Logo গাজা ইস্যুতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে যাচ্ছে মালয়েশিয়া Logo ঈদে যাত্রীচাপে রাস্তায় কিছু ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলছে: সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম Logo আরাফাতের দিনে কাবার ঠিক ওপরে সূর্য, ৩৩ বছর পর কাবা শরিফে থাকবে না ছায়া Logo ঈদযাত্রায় বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা, যাত্রী হয়রানি ঠেকাতে মোবাইল টিম: ডিএমপি কমিশনার Logo ভ্যাপসা গরমের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি

চিতলমারীতে একমাত্র ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে দীর্ঘ লাইন, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার নালুয়া বাজারে অবস্থিত মেসার্স জয় ফিলিং স্টেশনে বুধবার (৮ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে সীমিত পরিসরে পেট্রোল সরবরাহ শুরু হয়। চিতলমারী থানা পুলিশের উপস্থিতি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে সুশৃঙ্খলভাবে তেল বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

জানা গেছে, প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকার পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে। সকাল থেকেই তেল সংগ্রহের জন্য মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। অনেকেই ব্যক্তিগত ও অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাজ ফেলে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন।

পপুলার ফার্মার কর্মচারী বাবুলাল বাড়ৈ বলেন, আমি সকাল ৬টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এখন প্রায় ৯টা বাজে, এখনও নিশ্চিত নই তেল পাব কি না। প্রতিবারই এমন ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

জিবিডি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, আমাদের পাশ্ববর্তী উপজেলা মোল্লাহাটে একাধিক ফিলিং স্টেশন রয়েছে। কিন্তু চিতলমারীতে মাত্র একটি পাম্প থাকায় চাহিদা অনুযায়ী তেল পাওয়া যায় না। যদি সরবরাহ কিছুটা বাড়ানো হতো, তাহলে সাধারণ মানুষের কষ্ট অনেকটা কমে যেত।

অপর শিক্ষক মো. আজম আলী বলেন, প্রতি সপ্তাহে মাত্র একদিন তেল সরবরাহ করা হয়। সরবরাহ আরও বাড়ানো হলে এই দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি অনেকটাই কমে আসত।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আলামিন হোসেন ও গুলজার শেখ অভিযোগ করে বলেন, চাহিদার তুলনায় খুব কম পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। আমরা জেলা প্রশাসকের কাছে অনুরোধ জানাই, এই পাম্পে যেন তেলের বরাদ্দ বাড়ানো হয়।

চিতলমারী থানার এসআই লিটন বিশ্বাস বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আমরা সবাইকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে সুষ্ঠুভাবে তেল বিতরণ নিশ্চিত করছি।

দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা রিয়াজ উদ্দিন বলেন, এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম হচ্ছে না। বর্তমানে পাম্পে প্রায় ২ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল মজুদ রয়েছে। যতক্ষণ তেল থাকবে এবং যানবাহন থাকবে, ততক্ষণ সবাইকে তেল সরবরাহ করা হবে।

স্থানীয়রা জানান, চিতলমারীতে ফিলিং স্টেশনের সংখ্যা কম হওয়ায় প্রায়ই এ ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

পিসিসিপি’র উদ্যোগে রাঙ্গামাটিতে ২৫০ অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

চিতলমারীতে একমাত্র ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে দীর্ঘ লাইন, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

প্রকাশিত: ১০:০৯:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার নালুয়া বাজারে অবস্থিত মেসার্স জয় ফিলিং স্টেশনে বুধবার (৮ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ৮টা ৩০ মিনিট থেকে সীমিত পরিসরে পেট্রোল সরবরাহ শুরু হয়। চিতলমারী থানা পুলিশের উপস্থিতি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে সুশৃঙ্খলভাবে তেল বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

জানা গেছে, প্রতিটি মোটরসাইকেলে সর্বোচ্চ ৪০০ টাকার পেট্রোল দেওয়া হচ্ছে। সকাল থেকেই তেল সংগ্রহের জন্য মোটরসাইকেল চালকদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। অনেকেই ব্যক্তিগত ও অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাজ ফেলে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেন।

পপুলার ফার্মার কর্মচারী বাবুলাল বাড়ৈ বলেন, আমি সকাল ৬টা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এখন প্রায় ৯টা বাজে, এখনও নিশ্চিত নই তেল পাব কি না। প্রতিবারই এমন ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

জিবিডি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, আমাদের পাশ্ববর্তী উপজেলা মোল্লাহাটে একাধিক ফিলিং স্টেশন রয়েছে। কিন্তু চিতলমারীতে মাত্র একটি পাম্প থাকায় চাহিদা অনুযায়ী তেল পাওয়া যায় না। যদি সরবরাহ কিছুটা বাড়ানো হতো, তাহলে সাধারণ মানুষের কষ্ট অনেকটা কমে যেত।

অপর শিক্ষক মো. আজম আলী বলেন, প্রতি সপ্তাহে মাত্র একদিন তেল সরবরাহ করা হয়। সরবরাহ আরও বাড়ানো হলে এই দীর্ঘ লাইন ও ভোগান্তি অনেকটাই কমে আসত।

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আলামিন হোসেন ও গুলজার শেখ অভিযোগ করে বলেন, চাহিদার তুলনায় খুব কম পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। আমরা জেলা প্রশাসকের কাছে অনুরোধ জানাই, এই পাম্পে যেন তেলের বরাদ্দ বাড়ানো হয়।

চিতলমারী থানার এসআই লিটন বিশ্বাস বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আমরা সবাইকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে সুষ্ঠুভাবে তেল বিতরণ নিশ্চিত করছি।

দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা রিয়াজ উদ্দিন বলেন, এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম হচ্ছে না। বর্তমানে পাম্পে প্রায় ২ হাজার ৫০০ লিটার পেট্রোল মজুদ রয়েছে। যতক্ষণ তেল থাকবে এবং যানবাহন থাকবে, ততক্ষণ সবাইকে তেল সরবরাহ করা হবে।

স্থানীয়রা জানান, চিতলমারীতে ফিলিং স্টেশনের সংখ্যা কম হওয়ায় প্রায়ই এ ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।