বাংলাদেশ ০৬:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

তিন কোটি টাকার রাস্তার পিচ কার্পেটিংয়ে অনিয়ম, মাটি দিয়ে ঢেকে দিল ঠিকাদার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নয়াগোলা থেকে মহাডাঙ্গা হয়ে আলীনগর রেলগেইট পর্যন্ত ৫.৩ কিলোমিটার সড়কের পিচ কার্পেটিংয়ের কাজ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, আড়াই মিটার প্রসস্থ সড়কের অনেক অংশ ফাঁকা রেখেই কাজ শেষ করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ঠিকাদার তড়িঘড়ি করে ফাঁকা অংশ মাটি দিয়ে ঢেকে দিয়েছেন। পাশাপাশি সড়কের নিম্নমানের নির্মাণের কারণে হাতের চাপেও পিচ কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে।

সড়ক নির্মাণ করছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি। নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, রাস্তার এক পাশে রেললাইন এবং অন্য পাশে ডোবা-গর্ত থাকায় সড়ক ছোট মনে হচ্ছে। কাজের মান খারাপ দেখে কয়েকজন কাজ বন্ধ করার দাবি তুললেও তা মানা হয়নি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-০৩ আসনের এমপি নুরুল ইসলাম বুলবুল ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীকে কাজ সঠিকভাবে করার তাগিদ দেন।

ঠিকাদার সেলিম রেজা এবং নির্বাহী প্রকৌশলী তৌফিকুল ইসলাম দাবি করেছেন, কাজের মান সঠিক রয়েছে এবং নিম্নমানের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তৌফিকুল ইসলাম বলেন, রোড রোলারের চাপের কারণে কিছু জায়গায় প্রস্থ বেড়ে গিয়েছিল, পরে ঠিকাদার তা মেরামত করেছে।

স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, কোটি টাকার রাস্তা যদি হাতের চাপেও উঠে যায়, তাহলে সড়ক নির্মাণের কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তিন কোটি টাকার রাস্তার পিচ কার্পেটিংয়ে অনিয়ম, মাটি দিয়ে ঢেকে দিল ঠিকাদার

প্রকাশিত: ০৮:২৯:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নয়াগোলা থেকে মহাডাঙ্গা হয়ে আলীনগর রেলগেইট পর্যন্ত ৫.৩ কিলোমিটার সড়কের পিচ কার্পেটিংয়ের কাজ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, আড়াই মিটার প্রসস্থ সড়কের অনেক অংশ ফাঁকা রেখেই কাজ শেষ করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ঠিকাদার তড়িঘড়ি করে ফাঁকা অংশ মাটি দিয়ে ঢেকে দিয়েছেন। পাশাপাশি সড়কের নিম্নমানের নির্মাণের কারণে হাতের চাপেও পিচ কার্পেটিং উঠে যাচ্ছে।

সড়ক নির্মাণ করছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি। নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, রাস্তার এক পাশে রেললাইন এবং অন্য পাশে ডোবা-গর্ত থাকায় সড়ক ছোট মনে হচ্ছে। কাজের মান খারাপ দেখে কয়েকজন কাজ বন্ধ করার দাবি তুললেও তা মানা হয়নি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-০৩ আসনের এমপি নুরুল ইসলাম বুলবুল ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীকে কাজ সঠিকভাবে করার তাগিদ দেন।

ঠিকাদার সেলিম রেজা এবং নির্বাহী প্রকৌশলী তৌফিকুল ইসলাম দাবি করেছেন, কাজের মান সঠিক রয়েছে এবং নিম্নমানের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তৌফিকুল ইসলাম বলেন, রোড রোলারের চাপের কারণে কিছু জায়গায় প্রস্থ বেড়ে গিয়েছিল, পরে ঠিকাদার তা মেরামত করেছে।

স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, কোটি টাকার রাস্তা যদি হাতের চাপেও উঠে যায়, তাহলে সড়ক নির্মাণের কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে।