মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংসের হুমকির প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তেহরান। ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি বলেন, “পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অপমান ট্রাম্পের ভিত্তিহীন হুমকি দিয়ে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।”
ট্রাম্প বারবার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন—ইরান যদি কোনো চুক্তি না করে বা হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে না দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালাতে পারে। তিনি ৭ এপ্রিল রাত ৮টা পর্যন্ত সময়সীমা দিয়েছেন।
ইরান এই হুমকিকে ‘যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছে এবং সতর্ক করেছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল কোনো হামলা চালালে ইরান পাল্টা আঘাত করবে। জোলফাঘারি বলেন, “যদি আবার সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়, আমাদের পাল্টা জবাব আরও শক্তিশালী ও বড় পরিসরে হবে। ট্রাম্পের হুমকি আমাদের লড়াই থেকে বিরত রাখতে পারবে না।”
তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের এই রূঢ়, অহংকারী ও ভিত্তিহীন হুমকি কোনো প্রভাব ফেলবে না। এসব হুমকি আসলে তাদের সামরিক পরাজয় ঢাকার চেষ্টা এবং অসহায় অবস্থার প্রকাশ।”
ভিডিও বার্তায় জোলফাঘারি জানিয়েছেন, কুয়েতে মার্কিন আল-আদায়রি সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে, যেখানে হেলিকপ্টার রাখার স্থান ও মার্কিন সেনাদের থাকার জায়গা ধ্বংস হয়েছে। ৩ এপ্রিল ইসফাহানের কাছে মার্কিন যুদ্ধবিমান এফ-১৫ ই ভূপাতিত হয়। ইরান দাবি করেছে, এই অভিযানে আরও চারটি মার্কিন বিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংস হয়েছে।
ইরানের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের কাছে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে এমন শঙ্কা তৈরি করেছে।
kalprakash.com/SS
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 






















