বাংলাদেশ ০২:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo আধুনিক ল্যাব ও মান নিয়ন্ত্রণে জোর দিচ্ছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo নাগরিকরা কতটা উপকৃত হচ্ছেন, সেটির মূল্যায়ন জরুরি: মির্জা ফখরুল Logo সমালোচনার মুখে বিশ্বকাপে পানির বোতল নীতিতে ছাড় দিল ফিফা Logo প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠক Logo ৬৫ শতাংশ বিদ্যুৎ গ্রাহকের বিল বাড়েনি: তথ্য উপদেষ্টা Logo পে স্কেল শতভাগ বাস্তবায়নের দাবি কল্যাণ সমিতির Logo জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় চলচ্চিত্রের শক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর Logo বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্ট সিঙ্গাপুরের, বাংলাদেশের অবস্থান যেখানে Logo শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো শেডে আগুন, ঘটনা তদন্তে কমিটি Logo এবার ডেঙ্গু আক্রান্ত হলেই হতে পারে রক্তক্ষরণ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় চলচ্চিত্রের শক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা গড়ে তুলতে চলচ্চিত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক চলচ্চিত্রগুলোকে সরকারি অনুদানের ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

শুক্রবার (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় গ্রন্থাগার অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘গ্লোবাল ট্রেন্ড অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (জিটিসিএফ) ২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জিটিডি মিডিয়া প্রোডাকশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ উৎসবে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে কেন্দ্র করে চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, পরিবেশ দিবসের এ আয়োজনকে একবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রতি বছর আরও সুপরিকল্পিতভাবে আয়োজন করা প্রয়োজন।

চলচ্চিত্র ও ডিজিটাল কনটেন্টের মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, পরিবেশ ও জলবায়ু সংকট নিয়ে নির্মিত কনটেন্ট শুধু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নয়, আরও ব্যাপক পরিসরে প্রচার করতে হবে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং পরিবেশগত ঝুঁকি সম্পর্কে নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি হবে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, বিদ্যমান চলচ্চিত্র অনুদান নীতিমালার আওতায় পরিবেশবান্ধব ও সামাজিক বার্তাসমৃদ্ধ চলচ্চিত্রকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এ ধরনের উদ্যোগকে সরকারি সহায়তার সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তরুণ নির্মাতাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, সীমিত পরিসরে শুরু হলেও এ ধরনের উদ্যোগের প্রভাব বৈশ্বিক হতে পারে। তাই দৃঢ় মনোবল ও সৃজনশীলতা নিয়ে পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে সচেতনতামূলক কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বিশেষজ্ঞ ও আলোচকরা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে চলচ্চিত্র, গল্প বলার কৌশল ও সৃজনশীল সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

এসডিওসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের সহযোগিতায় এবং নেক্সাস টেলিভিশনের মিডিয়া পার্টনারশিপে সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক উৎসবে জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, গবেষক, দেশি-বিদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা, উন্নয়নকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক তরুণ অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জলবায়ু সংকট ও পরিবেশবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।

kalprakash.com/SAS

শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় চলচ্চিত্রের শক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর
জনপ্রিয় সংবাদ

আধুনিক ল্যাব ও মান নিয়ন্ত্রণে জোর দিচ্ছে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী

জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় চলচ্চিত্রের শক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

প্রকাশিত: ১১:৪৮:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা গড়ে তুলতে চলচ্চিত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক চলচ্চিত্রগুলোকে সরকারি অনুদানের ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

শুক্রবার (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় গ্রন্থাগার অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘গ্লোবাল ট্রেন্ড অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (জিটিসিএফ) ২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জিটিডি মিডিয়া প্রোডাকশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ উৎসবে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে কেন্দ্র করে চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, পরিবেশ দিবসের এ আয়োজনকে একবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রতি বছর আরও সুপরিকল্পিতভাবে আয়োজন করা প্রয়োজন।

চলচ্চিত্র ও ডিজিটাল কনটেন্টের মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, পরিবেশ ও জলবায়ু সংকট নিয়ে নির্মিত কনটেন্ট শুধু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নয়, আরও ব্যাপক পরিসরে প্রচার করতে হবে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং পরিবেশগত ঝুঁকি সম্পর্কে নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি হবে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, বিদ্যমান চলচ্চিত্র অনুদান নীতিমালার আওতায় পরিবেশবান্ধব ও সামাজিক বার্তাসমৃদ্ধ চলচ্চিত্রকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এ ধরনের উদ্যোগকে সরকারি সহায়তার সঙ্গে যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তরুণ নির্মাতাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, সীমিত পরিসরে শুরু হলেও এ ধরনের উদ্যোগের প্রভাব বৈশ্বিক হতে পারে। তাই দৃঢ় মনোবল ও সৃজনশীলতা নিয়ে পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ে সচেতনতামূলক কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বিশেষজ্ঞ ও আলোচকরা জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে চলচ্চিত্র, গল্প বলার কৌশল ও সৃজনশীল সংলাপের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

এসডিওসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠনের সহযোগিতায় এবং নেক্সাস টেলিভিশনের মিডিয়া পার্টনারশিপে সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক উৎসবে জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, গবেষক, দেশি-বিদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা, উন্নয়নকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক তরুণ অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী আয়োজনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জলবায়ু সংকট ও পরিবেশবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র এবং স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।

kalprakash.com/SAS

শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় চলচ্চিত্রের শক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর