বাংলাদেশ ০২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo গাজা ইস্যুতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে যাচ্ছে মালয়েশিয়া Logo ঈদে যাত্রীচাপে রাস্তায় কিছু ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলছে: সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম Logo আরাফাতের দিনে কাবার ঠিক ওপরে সূর্য, ৩৩ বছর পর কাবা শরিফে থাকবে না ছায়া Logo ঈদযাত্রায় বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা, যাত্রী হয়রানি ঠেকাতে মোবাইল টিম: ডিএমপি কমিশনার Logo ভ্যাপসা গরমের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি Logo জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় Logo ইসলামী ব্যাংকে আওয়ামী দোসর নিয়োগ, খাল কেটে কুমির আনার শামিল: জামায়াতের সেক্রেটারি Logo ইতালি থেকে রেমিট্যান্স পাঠানোয় আবারও শীর্ষে বাংলাদেশ Logo জামিন পেলেন তারেক রেজা Logo নওগাঁয় কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে বিসিকের সচেতনতামূলক কার্যক্রম

সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সাবেক এমপি জি এম ফজলুল হকের জানাজা অনুষ্ঠিত

চাঁদপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ জি এম ফজলুল হকের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এই জানাজা সম্পন্ন হয়। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র ইমাম মুহাম্মদ ছাইফুল্লাহ জানাজায় ইমামতি করেন। জানাজা শেষে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

জানাজার আগে মরহুমের ছেলে পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য প্রদান করেন এবং তার বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মরহুমের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে স্পিকার বলেন, জি এম ফজলুল হক ছিলেন একজন সৎ ও আদর্শবান মানুষ। দেশের সেবায় তিনি আজীবন নিজেকে উৎসর্গ করে গেছেন।

স্পিকার ছাড়াও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম এমপি এবং হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু এমপি। সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে সচিব কানিজ মওলাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মরহুমের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। উক্ত জানাজায় সংসদ সদস্য, সার্জেন্ট অ্যাট-আর্মস এবং সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন জি এম ফজলুল হক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি স্ত্রী, সন্তান ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। জি এম ফজলুল হক ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের (৭ম ও ৮ম) জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে চাঁদপুর-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন ও শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা ইস্যুতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে যাচ্ছে মালয়েশিয়া

সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় সাবেক এমপি জি এম ফজলুল হকের জানাজা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত: ০৩:১৪:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

চাঁদপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রবীণ রাজনীতিবিদ জি এম ফজলুল হকের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এই জানাজা সম্পন্ন হয়। জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র ইমাম মুহাম্মদ ছাইফুল্লাহ জানাজায় ইমামতি করেন। জানাজা শেষে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

জানাজার আগে মরহুমের ছেলে পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য প্রদান করেন এবং তার বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মরহুমের কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে স্পিকার বলেন, জি এম ফজলুল হক ছিলেন একজন সৎ ও আদর্শবান মানুষ। দেশের সেবায় তিনি আজীবন নিজেকে উৎসর্গ করে গেছেন।

স্পিকার ছাড়াও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম এমপি এবং হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু এমপি। সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে সচিব কানিজ মওলাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মরহুমের কফিনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। উক্ত জানাজায় সংসদ সদস্য, সার্জেন্ট অ্যাট-আর্মস এবং সংসদ সচিবালয়ের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন জি এম ফজলুল হক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি স্ত্রী, সন্তান ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। জি এম ফজলুল হক ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের (৭ম ও ৮ম) জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে চাঁদপুর-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি এলাকার অবকাঠামো উন্নয়ন ও শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।