বাংলাদেশ ০২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo গাজা ইস্যুতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে যাচ্ছে মালয়েশিয়া Logo ঈদে যাত্রীচাপে রাস্তায় কিছু ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলছে: সড়কমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম Logo আরাফাতের দিনে কাবার ঠিক ওপরে সূর্য, ৩৩ বছর পর কাবা শরিফে থাকবে না ছায়া Logo ঈদযাত্রায় বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা, যাত্রী হয়রানি ঠেকাতে মোবাইল টিম: ডিএমপি কমিশনার Logo ভ্যাপসা গরমের পর রাজধানীতে স্বস্তির বৃষ্টি Logo জাতীয় ঈদগাহে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় Logo ইসলামী ব্যাংকে আওয়ামী দোসর নিয়োগ, খাল কেটে কুমির আনার শামিল: জামায়াতের সেক্রেটারি Logo ইতালি থেকে রেমিট্যান্স পাঠানোয় আবারও শীর্ষে বাংলাদেশ Logo জামিন পেলেন তারেক রেজা Logo নওগাঁয় কোরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণে বিসিকের সচেতনতামূলক কার্যক্রম

৩০০-৪০০ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া গুণতে হচ্ছে গাবতলীতে

নাড়ির টানে ঈদে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষেরা। কিন্তু ঈদযাত্রার এ আনন্দ মলিন করে দিচ্ছে বাড়তি ভাড়া। গাবতলী বাস টার্মিনালের অধিকাংশ বাসের টিকিট কিনতে যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।

বুধবার (১৮ মার্চ) গাবতলী বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িফেরা মানুষের ঢল নেমেছ পুরো টার্মিনালে। কেউ টিকিট পেয়ে বাসে উঠছেন, কেউবা করছেন অপেক্ষা। তবে অনলাইন ছাড়া যারা এখন টিকিট কাটছেন, প্রত্যেককেই গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া।

গাবতলী থেকে রাজবাড়ী যাবেন মো. অন্তর। তিনি বলেন, এখান থেকে রাজবাড়ীর রেগুলার ভাড়া ৩৯০ টাকা। কিন্তু আজ ভাড়া রেখেছে ৭০০ টাকা। আমিই লাস্ট টিকিটটা কেটেছি। যেহেতু আর টিকিট নেই, আর বাড়ি যেতে হবে, তাই তর্ক করিনি।

পাংশাগামী যাত্রী মো. কাউছার বলেন, রেগুলার সময়ে এখান থেকে ৪০০ টাকা টিকিটে বাড়ি ফিরি, কিন্তু আজ ৭০০ টাকা চাইছে। বেশিরভাগ বাসেরই একই অবস্থা।

মাগুরাগামী যাত্রী ইব্রাহিম বলেন, অন্যান্য সময়ে ভাড়া ৫০০-৫৫০ রাখা হয়, আজ ৭০০ টাকা রেখেছে। আসলে প্রতি ঈদেই বাড়তি ভাড়া দিয়েই বাড়ি যেতে হয়, কিছুই করার নেই।

বাড়তি ভাড়ার বিষয়ে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিআরটিএ কর্তৃক নির্ধারিত ভাড়াই রাখা হচ্ছে, যাতে যাত্রীরা অভ্যস্ত না।

সৌহার্দ্য পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার ইমরান বলেন, অন্যান্য সময়ে সরকারি যে ভাড়ার চার্ট, আমরা তার চাইতে ১০০-২০০ টাকা কম রাখি। যাত্রীরা তাতেই অভ্যস্ত। কিন্তু ঈদ এলে যখন চার্টের ভাড়া রাখা হয়, তখন যাত্রীরা ভাবে আমরা বেশি ভাড়া রাখছি।

একই বক্তব্য সাকুরা পরিবহনের ম্যানেজার মো. আল আমিনের। তিনি বলেন, সরকারি চার্টের যে ভাড়া, সে ভাড়া রাখা হলে অন্যান্য সময় যাত্রী যেতেই চাইতো না, তাই আমরা কম রাখতাম। কিন্তু এখন নির্ধারিত ভাড়া রাখতেই যাত্রীদের মনে হচ্ছে বাড়তি রাখা হচ্ছে।

বাড়তি ভাড়ার বিষয়ে টার্মিনালে অবস্থিত বিআরটির ভিজিল্যান্স টিমের সহকারী পরিচালক মইনুল হাসান বলেন, এ পর্যন্ত বাড়তি ভাড়ার কোনো অভিযোগ আসেনি। আমরা প্রতিটা কাউন্টারে চার্ট টানিয়ে দিয়েছি, সে মোতাবেক ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। বাড়তি ভাড়ার যেসব অভিযোগ আসছে, সেগুলো টার্মিনালের বাইরে। সেক্ষেত্রে আমাদের মোবাইল কোর্ট কাজ করছে, এমন কিছু পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা ইস্যুতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে যাচ্ছে মালয়েশিয়া

৩০০-৪০০ টাকা অতিরিক্ত ভাড়া গুণতে হচ্ছে গাবতলীতে

প্রকাশিত: ০২:১৭:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

নাড়ির টানে ঈদে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষেরা। কিন্তু ঈদযাত্রার এ আনন্দ মলিন করে দিচ্ছে বাড়তি ভাড়া। গাবতলী বাস টার্মিনালের অধিকাংশ বাসের টিকিট কিনতে যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি টাকা।

বুধবার (১৮ মার্চ) গাবতলী বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, বাড়িফেরা মানুষের ঢল নেমেছ পুরো টার্মিনালে। কেউ টিকিট পেয়ে বাসে উঠছেন, কেউবা করছেন অপেক্ষা। তবে অনলাইন ছাড়া যারা এখন টিকিট কাটছেন, প্রত্যেককেই গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া।

গাবতলী থেকে রাজবাড়ী যাবেন মো. অন্তর। তিনি বলেন, এখান থেকে রাজবাড়ীর রেগুলার ভাড়া ৩৯০ টাকা। কিন্তু আজ ভাড়া রেখেছে ৭০০ টাকা। আমিই লাস্ট টিকিটটা কেটেছি। যেহেতু আর টিকিট নেই, আর বাড়ি যেতে হবে, তাই তর্ক করিনি।

পাংশাগামী যাত্রী মো. কাউছার বলেন, রেগুলার সময়ে এখান থেকে ৪০০ টাকা টিকিটে বাড়ি ফিরি, কিন্তু আজ ৭০০ টাকা চাইছে। বেশিরভাগ বাসেরই একই অবস্থা।

মাগুরাগামী যাত্রী ইব্রাহিম বলেন, অন্যান্য সময়ে ভাড়া ৫০০-৫৫০ রাখা হয়, আজ ৭০০ টাকা রেখেছে। আসলে প্রতি ঈদেই বাড়তি ভাড়া দিয়েই বাড়ি যেতে হয়, কিছুই করার নেই।

বাড়তি ভাড়ার বিষয়ে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিআরটিএ কর্তৃক নির্ধারিত ভাড়াই রাখা হচ্ছে, যাতে যাত্রীরা অভ্যস্ত না।

সৌহার্দ্য পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার ইমরান বলেন, অন্যান্য সময়ে সরকারি যে ভাড়ার চার্ট, আমরা তার চাইতে ১০০-২০০ টাকা কম রাখি। যাত্রীরা তাতেই অভ্যস্ত। কিন্তু ঈদ এলে যখন চার্টের ভাড়া রাখা হয়, তখন যাত্রীরা ভাবে আমরা বেশি ভাড়া রাখছি।

একই বক্তব্য সাকুরা পরিবহনের ম্যানেজার মো. আল আমিনের। তিনি বলেন, সরকারি চার্টের যে ভাড়া, সে ভাড়া রাখা হলে অন্যান্য সময় যাত্রী যেতেই চাইতো না, তাই আমরা কম রাখতাম। কিন্তু এখন নির্ধারিত ভাড়া রাখতেই যাত্রীদের মনে হচ্ছে বাড়তি রাখা হচ্ছে।

বাড়তি ভাড়ার বিষয়ে টার্মিনালে অবস্থিত বিআরটির ভিজিল্যান্স টিমের সহকারী পরিচালক মইনুল হাসান বলেন, এ পর্যন্ত বাড়তি ভাড়ার কোনো অভিযোগ আসেনি। আমরা প্রতিটা কাউন্টারে চার্ট টানিয়ে দিয়েছি, সে মোতাবেক ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। বাড়তি ভাড়ার যেসব অভিযোগ আসছে, সেগুলো টার্মিনালের বাইরে। সেক্ষেত্রে আমাদের মোবাইল কোর্ট কাজ করছে, এমন কিছু পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।