বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব চায়, তবে সেই সম্পর্ক কখনোই দাসত্বের পর্যায়ে যেতে পারে না। তিনি বলেন, প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্ব হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে, এটি কোনো স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক নয়।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। গয়েশ্বর রায় বলেন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রয়োজনে সবার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে চায়, তবে জাতীয় স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে নয়।
তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, জিয়াউর রহমান চাটুকারিতা পছন্দ করতেন না এবং সমালোচনাকে গণতন্ত্রের অংশ হিসেবে দেখতেন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ তার যুদ্ধ ঘোষণার কথাও তিনি স্মরণ করেন।
গয়েশ্বর রায় অভিযোগ করেন, বর্তমান প্রজন্মের একটি অংশ শহীদ জিয়ার অবদানকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করছে না। তিনি বলেন, স্বাধীনতা অর্জিত হলেও প্রকৃত মুক্তি এখনো পুরোপুরি আসেনি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হওয়া উচিত পারস্পরিক সম্মান ও সমমর্যাদার ভিত্তিতে। প্রতিবেশীর সঙ্গে বন্ধুত্ব থাকবে, তবে তা কখনোই অধীনতা বা দাসত্বে রূপ নিতে পারে না।
খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের প্রশংসা করে গয়েশ্বর রায় বলেন, গণতন্ত্রের প্রশ্নে তিনি কখনোই আপস করেননি এবং দেশের মানুষের কাছে তিনি মাদার অব ডেমোক্রেসি হিসেবে স্বীকৃত।
একই সঙ্গে তিনি ১/১১ সময়কাল, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার আন্দোলন নিয়েও বক্তব্য দেন।
অনলাইন ডেস্ক 





















