মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে অন্তত দুটি কনটেইনার জাহাজ লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে। সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে এই ঘটনাকে নতুন করে উদ্বেগজনক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার সকাল ৭টা ৫৫ মিনিটে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে প্রথম জাহাজটিতে হামলা চালায় ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
হামলায় জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়নি।
ইউকেএমটিওর দাবি, ইরানের নৌযান কোনো ধরনের সতর্কবার্তা ছাড়াই সরাসরি গুলি চালানো শুরু করে।
এর কিছু সময় পর দ্বিতীয় একটি কার্গো জাহাজেও হামলার ঘটনা ঘটে। জাহাজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য করেও গুলি চালানো হয়। বর্তমানে জাহাজটি সাগরে স্থির অবস্থায় রয়েছে। তবে এ ঘটনাতেও কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম ফারস ও তাসনিম হামলার ঘটনা নিশ্চিত করেছে। ফারস নিউজের দাবি, হরমুজ প্রণালিতে ইরান তাদের ‘আইনগত নিয়ন্ত্রণ’ প্রয়োগ করছে।
উল্লেখ্য, পারস্য উপসাগরের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে বিশ্বে পরিবাহিত মোট অপরিশোধিত তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ যাতায়াত করে। ওমান ও ইরানের জলসীমার মাঝামাঝি অবস্থিত হলেও হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক নৌপথ হিসেবে স্বীকৃত।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
kalprakash.com/SS
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 























