বাংলাদেশ ০৯:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo রাঙ্গামাটি কোতয়ালী থানার বার্ষিক পরিদর্শনে পুলিশ সুপার Logo লালপুরে ভ্যান ছিনতাইয়ের চেষ্টা, গণধোলাই শেষে পুলিশের কাছে সোপর্দ Logo নবীনগর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে লড়বেন বিএনপি নেতা মাসুদ রানা Logo বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান খান Logo জুনের শুরুতেই মোংলায় চালু হচ্ছে ২৪ ঘণ্টার ফেরি সার্ভিস Logo বাগেরহাটের কোরবানির হাটে আকর্ষণের কেন্দ্র ‘ধলু মিয়া’ Logo জলবায়ু সহনশীল কৃষিতে নারীদের স্বাবলম্বী করতে মোংলায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা Logo পিসিসিপি’র উদ্যোগে রাঙ্গামাটিতে ২৫০ অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ Logo বৃদ্ধাকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক আটক Logo রাঙ্গামাটিতে এতিমদের মুখে হাসি, বিতরণ করা হলো ঈদ উপহার ও নগদ সহায়তা

ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে মাঠে ফেরার কাহিনি যুবরাজ সিংয়ের

সাবেক ইংলিশ অধিনায়ক মাইকেল ভনের পডকাস্টে ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই নিয়ে কথা বলেছেন যুবরাজ সিং। ছবি: ভিডিও থেকে

ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি যুবরাজ সিং জানিয়েছেন, ক্যানসার শনাক্তের সময় চিকিৎসক তাঁকে জানিয়েছিলেন, কেমোথেরাপি না নিলে তিনি হয়তো মাত্র তিন থেকে ছয় মাস বাঁচবেন। ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ চলাকালীনই তিনি অসুস্থ ছিলেন, কিন্তু ব্যথা ও অনিশ্চয়তা উপেক্ষা করে সেরা পারফরম্যান্স উপহার দেন।

যুবরাজ বলেন, টেস্ট দলে জায়গার জন্য তিনি মরলেও খেলতে চাইতেন। কিন্তু পরে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা নেওয়ার সময় তাঁকে বলা হয়, হয়তো আর কখনো ক্রিকেট খেলতে পারবেন না। চিকিৎসার সঙ্গে মানসিক লড়াইও ছিল কঠিন; তিনি নিয়মিত পুরোনো ম্যাচের ভিডিও দেখতেন, অনিল কুম্বলে এবং শচীন টেন্ডুলকার তাঁর পাশে ছিলেন।

ডা. লরেন্স আইনহর্নের চিকিৎসার মাধ্যমে ছয় মাসের মধ্যে যুবরাজ ভারত দলে ফিরে আসেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলেন এবং একটি ম্যাচে ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ হন। এরপর ফ্রান্সে জহির খানের সঙ্গে দুই মাস ফিটনেস ট্রেনিং করে আবারও দারুণ প্রত্যাবর্তন করেন। যুবরাজের জীবন কাহিনি অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে ক্রিকেট প্রেমীদের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

রাঙ্গামাটি কোতয়ালী থানার বার্ষিক পরিদর্শনে পুলিশ সুপার

ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে মাঠে ফেরার কাহিনি যুবরাজ সিংয়ের

প্রকাশিত: ০৫:২৯:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি যুবরাজ সিং জানিয়েছেন, ক্যানসার শনাক্তের সময় চিকিৎসক তাঁকে জানিয়েছিলেন, কেমোথেরাপি না নিলে তিনি হয়তো মাত্র তিন থেকে ছয় মাস বাঁচবেন। ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ চলাকালীনই তিনি অসুস্থ ছিলেন, কিন্তু ব্যথা ও অনিশ্চয়তা উপেক্ষা করে সেরা পারফরম্যান্স উপহার দেন।

যুবরাজ বলেন, টেস্ট দলে জায়গার জন্য তিনি মরলেও খেলতে চাইতেন। কিন্তু পরে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা নেওয়ার সময় তাঁকে বলা হয়, হয়তো আর কখনো ক্রিকেট খেলতে পারবেন না। চিকিৎসার সঙ্গে মানসিক লড়াইও ছিল কঠিন; তিনি নিয়মিত পুরোনো ম্যাচের ভিডিও দেখতেন, অনিল কুম্বলে এবং শচীন টেন্ডুলকার তাঁর পাশে ছিলেন।

ডা. লরেন্স আইনহর্নের চিকিৎসার মাধ্যমে ছয় মাসের মধ্যে যুবরাজ ভারত দলে ফিরে আসেন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলেন এবং একটি ম্যাচে ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ হন। এরপর ফ্রান্সে জহির খানের সঙ্গে দুই মাস ফিটনেস ট্রেনিং করে আবারও দারুণ প্রত্যাবর্তন করেন। যুবরাজের জীবন কাহিনি অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে ক্রিকেট প্রেমীদের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

kalprakash.com/SS