গত বছরের তুলনায় ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলে তেজগাঁও কলেজে পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। এক বছরে কলেজটির পাসের হার কমেছে ১২ দশমিক ০৪ শতাংশ পয়েন্ট। অন্যদিকে, জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা চারজন থেকে কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র একজন।
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ফলাফল অনুযায়ী, ২০২৬ সালে তেজগাঁও কলেজ থেকে ৭৭০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধিত ছিলেন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৭৬২ জন। উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪৩৪ জন। পাসের হার ৫৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ। এ বছর কলেজটি থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র একজন শিক্ষার্থী।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালে কলেজটি থেকে ৬০১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধিত ছিলেন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৬০০ জন। উত্তীর্ণ হন ৪১৪ জন। পাসের হার ছিল ৬৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন চারজন।
দুই বছরের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৬ সালে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা আগের বছরের তুলনায় ১৬২ জন বেড়েছে। উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বেড়েছে ২০ জন। তবে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়লেও পাসের হার কমেছে ১২ দশমিক ০৪ শতাংশ পয়েন্ট। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে তিনজন।
বিভাগভিত্তিক ২০২৬ সালের ফলাফলে দেখা যায়, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ৭৯ জন পাস করেছেন এবং ৭৫ জন অকৃতকার্য হয়েছেন। মানবিক বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১২৫ জন, অকৃতকার্য হয়েছেন ১৪৮ জন। আর বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ২৩০ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন এবং ১১৩ জন অকৃতকার্য হয়েছেন।
সব মিলিয়ে ২০২৫ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে তেজগাঁও কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা গেছে।