বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ | ২২ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২৫ রবিউস সানী, ১৪৪৮ | সকাল ১১:২৯:২৪
শিরোনাম
● ইতালি প্রবাসীকে ফাঁদে ফেলে লাখ লাখ টাকা হাতানোর অভিযোগে বাবা-ছেলে আটক ● প্রণোদনার ঋণ দ্রুত ছাড়ের দাবি, শর্ত শিথিলের আহ্বান ● গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী, প্রশাসনে নরেন্দ্র মোদির ২৫ বছর ● রুহিয়া বাংলা বাজারের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ ● পাবনায় ৩০ বোতল ফেনসিডিল মামলায় ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন ● রাঙামাটিতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ● রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে দুদিনে তৃতীয়বার আটক ● শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত রাণীশংকৈলের কৃষকরা ● ঝিনাইদহে তরুণীর লাশ নিয়ে মানববন্ধন, মামলা না নেওয়ার অভিযোগ ● বরগুনায় প্রাইভেটকার-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫ ● ইতালি প্রবাসীকে ফাঁদে ফেলে লাখ লাখ টাকা হাতানোর অভিযোগে বাবা-ছেলে আটক ● প্রণোদনার ঋণ দ্রুত ছাড়ের দাবি, শর্ত শিথিলের আহ্বান ● গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী, প্রশাসনে নরেন্দ্র মোদির ২৫ বছর ● রুহিয়া বাংলা বাজারের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ ● পাবনায় ৩০ বোতল ফেনসিডিল মামলায় ব্যবসায়ীর যাবজ্জীবন ● রাঙামাটিতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ● রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে দুদিনে তৃতীয়বার আটক ● শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত রাণীশংকৈলের কৃষকরা ● ঝিনাইদহে তরুণীর লাশ নিয়ে মানববন্ধন, মামলা না নেওয়ার অভিযোগ ● বরগুনায় প্রাইভেটকার-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫

রুহিয়া বাংলা বাজারের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

রুহিয়া (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি
রুহিয়া (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:১১
শেয়ার: mail
রুহিয়া বাংলা বাজারের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়ায় পাকিস্তান আমল থেকে চলে আসা ঐতিহ্যবাহী বাংলা বাজারের চরম অবকাঠামোগত বেহাল দশায় ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। বাজারের ভেতরে কেনাবেচার ন্যূনতম পরিবেশ না থাকায় কাঁচামাল বিক্রেতারা বাধ্য হয়ে রুহিয়া চৌরাস্তা, প্রধান সড়ক ও ফুটপাত দখল করে পসরা সাজিয়ে বসছেন। এতে প্রস্তাবিত রুহিয়া উপজেলা শহরে প্রতিদিন তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে।

স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের সূত্রে জানা যায়, পাকিস্তান আমল থেকেই রুহিয়া অঞ্চলের প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে বাংলা বাজার পরিচিত। একসময় পুরো উত্তরপদের কৃষি ও বাণিজ্য এই বাজারকে কেন্দ্র করেই পরিচালিত হতো। তবে দীর্ঘদিনের সংস্কারহীনতা, সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ও আধুনিকায়নের অভাবে ঐতিহ্যবাহী বাজারটি বর্তমানে প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়েছে।

সামান্য বৃষ্টিতেই বাজারে কাদা-পানি জমে যায়। নেই কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের ব্যবস্থা। বাজারের শেডগুলোও ভেঙে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ফলে ভেতরের পরিবেশ অস্বাস্থ্যকর ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে।

বাজারের ভেতরে পসরা বসানোর সুযোগ না থাকায় কাঁচামাল ব্যবসায়ীরা বিকল্প হিসেবে রুহিয়া চৌরাস্তা বেছে নিয়েছেন। প্রধান সড়ক ও ব্যস্ত মোড় দখল করে অনিয়ন্ত্রিতভাবে দোকানপাট বসানোর কারণে প্রতিনিয়ত যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।

চৌরাস্তার গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে স্থায়ী ও অস্থায়ী কাঁচাবাজার গড়ে ওঠায় ছোট-বড় যানবাহন আটকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ব্যস্ত সড়কে কেনাবেচা চলায় প্রতিদিনই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, জরুরি রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ও দূরপাল্লার যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো এই বাজারের প্রতি অবহেলার কারণে রুহিয়া শহরের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হচ্ছে। বাজার করার মতো সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়কেই ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় নামতে হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলেন, রাস্তায় বসে কেনাবেচা করে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ানো তাদেরও উদ্দেশ্য নয়। কিন্তু মূল বাজারের ভেতরে পর্যাপ্ত অবকাঠামো না থাকা এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় বাধ্য হয়েই তাদের চৌরাস্তায় বসতে হচ্ছে। প্রশাসন স্থায়ী বাজারটি পুনঃসংস্কার করে দিলে তারা রাস্তা ছেড়ে চলে যাবেন।

সংকট কাটাতে স্থানীয় জনগণ ও ব্যবসায়ীরা অভিন্ন দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, পাকিস্তান আমলের ঐতিহাসিক বাংলা বাজারকে আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও সুপরিসর শেড নির্মাণের মাধ্যমে দ্রুত পুনরায় কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে রুহিয়া চৌরাস্তা যানজটমুক্ত রাখতে সড়কে গড়ে ওঠা কাঁচাবাজারগুলো নির্ধারিত স্থায়ী বাজারে স্থানান্তরে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ | Globe kalprakash.com

রুহিয়া বাংলা বাজারের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

বিস্তারিত কমেন্টে