বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ | ২২ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২৫ রবিউস সানী, ১৪৪৮ | দুপুর ১২:৩৬:৫৮
শিরোনাম
● ভারতের কাছ থেকে পানির ন্যায্য হিস্যা চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ● ফুটপাতে মোটরসাইকেল, পথচারীদের চলাচলে ঝুঁকি ● কসবা ও ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্তে ১ কোটি টাকার চোরাচালানের মালামাল জব্দ ● তেজগাঁও কলেজ লাইব্রেরিতে নতুন বই সংযোজন ● যবিপ্রবিতে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপ নিয়ে সেমিনার ● সিএমপির দুই থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পদে রদবদল ● ইতালি প্রবাসীকে ফাঁদে ফেলে লাখ লাখ টাকা হাতানোর অভিযোগে বাবা-ছেলে আটক ● প্রণোদনার ঋণ দ্রুত ছাড়ের দাবি, শর্ত শিথিলের আহ্বান ● গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী, প্রশাসনে নরেন্দ্র মোদির ২৫ বছর ● রুহিয়া বাংলা বাজারের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ ● ভারতের কাছ থেকে পানির ন্যায্য হিস্যা চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ● ফুটপাতে মোটরসাইকেল, পথচারীদের চলাচলে ঝুঁকি ● কসবা ও ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্তে ১ কোটি টাকার চোরাচালানের মালামাল জব্দ ● তেজগাঁও কলেজ লাইব্রেরিতে নতুন বই সংযোজন ● যবিপ্রবিতে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপ নিয়ে সেমিনার ● সিএমপির দুই থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পদে রদবদল ● ইতালি প্রবাসীকে ফাঁদে ফেলে লাখ লাখ টাকা হাতানোর অভিযোগে বাবা-ছেলে আটক ● প্রণোদনার ঋণ দ্রুত ছাড়ের দাবি, শর্ত শিথিলের আহ্বান ● গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী, প্রশাসনে নরেন্দ্র মোদির ২৫ বছর ● রুহিয়া বাংলা বাজারের বেহাল দশা, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

প্রণোদনার ঋণ দ্রুত ছাড়ের দাবি, শর্ত শিথিলের আহ্বান

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৮
শেয়ার: mail
প্রণোদনার ঋণ দ্রুত ছাড়ের দাবি, শর্ত শিথিলের আহ্বান

প্রণোদনা তহবিলের ঋণ পেতে শর্ত শিথিলের পাশাপাশি খেলাপিমুক্ত হতে ২ শতাংশ নগদ টাকা জমা দেওয়ার বিধান প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। একই সঙ্গে ঋণের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করে অর্থ ছাড়ের জন্য ব্যাংকগুলোকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিদের এক বৈঠকে এসব দাবি জানানো হয়।

ব্যবসায়ীরা বলেন, বন্ধ কারখানা চালু এবং ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানকে ঘুরে দাঁড় করাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল থেকে ঋণ পেতে নানা জটিলতার মুখে পড়তে হচ্ছে। অনেক ব্যাংক আবেদন নিতে অনীহা দেখাচ্ছে। আবার কোথাও অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া, ঋণের আবেদন নিয়ে সিদ্ধান্তে বিলম্ব এবং ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা না হওয়ায় ঋণ ছাড়ে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হচ্ছে।

তাঁদের অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে ঋণের আবেদন নিষ্পত্তিতে পরিচালনা পর্ষদের সভা হতে এক মাস পর্যন্ত সময় লাগছে। এ কারণে প্রতি সপ্তাহে অথবা প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষ পরিচালনা পর্ষদ সভা আয়োজন করে দ্রুত আবেদন নিষ্পত্তির দাবি জানান ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।

বৈঠকে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ), বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ), বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ), বাংলাদেশ চেম্বার অব অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএ), বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন (বিইএফ), বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশন (বিজেএ) ও মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে ডেপুটি গভর্নর মো. কবির আহাম্মদ ও মো. সরোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের নেওয়া বিভিন্ন প্রণোদনা কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। এসব কর্মসূচির আওতায় জারি করা নীতিমালায় কোনো ঘাটতি বা অস্পষ্টতা রয়েছে কি না, তা পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা ঋণের আবেদন প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে দীর্ঘসূত্রতা কমানোর দাবি জানান। একই সঙ্গে প্রণোদনা ঋণ পেতে শর্ত সহজ করা এবং খেলাপিমুক্ত হওয়ার জন্য ২ শতাংশ নগদ টাকা জমা দেওয়ার বিধান প্রত্যাহারের আহ্বান জানান তাঁরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়, প্রণোদনা কর্মসূচির নীতিমালা সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সংশ্লিষ্ট সবার যৌথ দায়িত্ব। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা যাতে দ্রুত সহায়তা পান, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও জানায়, প্রণোদনা প্যাকেজের অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেওয়ার ক্ষেত্রেও যথাযথ যাচাই-বাছাই নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে সুবিধা নিতে ব্যবসায়ীরা আগ্রহী হলেও বিভিন্ন ব্যাংকের অসহযোগিতার কারণে অনেকে আবেদন করতে পারছেন না। অনেক ব্যাংক আবেদন নিতে চাইছে না, আবার কেউ কেউ নানা অজুহাতে উদ্যোক্তাদের নিরুৎসাহিত করছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিপত্রে কিছু জটিলতা রয়েছে। এসব জটিলতা দ্রুত দূর করে ইতিমধ্যে জমা পড়া আবেদনগুলো নিষ্পত্তির দাবি জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকও বিষয়টি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে।

বন্ধ কলকারখানা চালু এবং অর্থনীতিকে চাঙা করতে গত মে মাসে মোট ৬২ হাজার কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ সুদে এই ঋণ অর্থনীতির বিভিন্ন খাতের উদ্যোক্তাদের দেওয়ার কথা। এ কর্মসূচির মাধ্যমে ২৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে বলে জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তবে ঘোষণার চার মাস পরও প্রণোদনা তহবিলের ঋণ বিতরণে তেমন গতি আসেনি। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ২০ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল থেকে এ পর্যন্ত মাত্র ৫০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। অন্যান্য খাতেও ঋণ বিতরণে কাঙ্ক্ষিত গতি নেই।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ | Globe kalprakash.com

প্রণোদনার ঋণ দ্রুত ছাড়ের দাবি, শর্ত শিথিলের আহ্বান

বিস্তারিত কমেন্টে