‘চোরের মায়ের বড় গলা, দুর্নীতির বরপুত্র আসিফের অবস্থাও সে রকম’—এমন মন্তব্য করে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি অভিযোগ করেন, উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আসিফ মাহমুদ আওয়ামী লীগ সমর্থিত ব্যবসায়ী ও বিতর্কিত ডামি এমপিদের প্রটেকশন দিয়েছেন।
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব দাবি ও অভিযোগ করেন রাশেদ খান।
তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের অন্তত একজন পদধারী নেতা ও ব্যবসায়ীকে তিনি পুনর্বাসন করেছেন, যা আমার ব্যক্তিগতভাবে জানা। নাহিদ ইসলাম ও আখতার হোসেনসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা আসিফ মাহমুদের পাশে শক্তভাবে দাঁড়ান না, কারণ তারা সবাই এসব অভ্যন্তরীণ তথ্য জানেন।
আসিফ মাহমুদকে সরাসরি সতর্ক করার কথা উল্লেখ করে রাশেদ খান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বে থাকাকালে এ বিষয়ে আসিফ মাহমুদকে আমি সরাসরি কয়েকবার সতর্ক করেছি। কিন্তু তিনি কোনো তোয়াক্কা করেননি। এই বিষয়টি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতিটি নেতা জানতেন। তাদের যখন বিষয়টি জানানো হতো, তারা বলতেন—আসিফ তো আমাদের কেউ নন, তার সঙ্গে এনসিপির কোনো যোগাযোগ ও সম্পর্ক নেই।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুর্নীতির দায় এড়াতে নাহিদ ইসলামও বহুবার গণমাধ্যমে বলেছেন যে দুই সাবেক ছাত্র উপদেষ্টার সঙ্গে এনসিপির কোনো সম্পর্ক নেই।
রাশেদ খান আরও অভিযোগ করেন, আসিফ মাহমুদ এক ব্যক্তিকে বড় অঙ্কের অর্থ প্রদান করেছিলেন, যে তথ্য আমার কাছে রয়েছে। এছাড়া সে সময় আসিফের এপিএস মোয়াজ্জেম কিছু তথ্য আমার কাছে নিয়ে আসেন। তাদের এই কর্মকাণ্ডের বিষয়ে আমি অন্তর্বর্তী সরকারের তৎকালীন আরেকজন উপদেষ্টাকে অবহিত করেছিলাম। সব শুনে ওই উপদেষ্টা উত্তরে বলেছিলেন, ‘আমরা যে সরকারি বেতন পাই, তা দিয়ে নিজেরাই চলতে পারি না; আর তারা মানুষকে লাখ লাখ টাকা দেয়, স্বাভাবিক বেতন থেকে এটা কি দেওয়া সম্ভব?’
kalprakash.com/IM