বাংলাদেশ ০৮:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

ছাদ ধসের আতঙ্কে জবিতে হেলমেট পরে পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা

সংগৃহীত ছবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) গণিত বিভাগের সেমিনার কক্ষের ছাদের পলেস্তারা ধসে দুই শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনায় ক্যাম্পাসজুড়ে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিরাপত্তাহীনতার প্রতিবাদ ও সচেতনতার অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা হেলমেট পরে ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের হেলমেট পরে অংশ নিতে দেখা যায়। শিক্ষার্থীরা বলছেন, এটি একদিকে আত্মরক্ষার পদক্ষেপ, অন্যদিকে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের প্রতীকী প্রতিবাদ।

হেলমেট পরে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী নাঈম খোন্দকার বলেন, “কখন কার মাথায় পলেস্তারা পড়ে তা বলা যায় না। তাই বাধ্য হয়েই হেলমেট ব্যবহার করছি।”

আরেক শিক্ষার্থী নয়ন ইসলাম বলেন, “দুই সহপাঠী আহত হওয়ার পরও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই। ঝুঁকিপূর্ণ কক্ষে বসে পরীক্ষা দিতে ভয় লাগছে, তাই হেলমেট পরে আসছি।”

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) এজিএস মাসুদ রানা বলেন, “ঝুঁকিপূর্ণ ও পরিত্যক্ত ঘোষিত ভবনগুলো দ্রুত সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ করা জরুরি।”

উল্লেখ্য, বুধবার (১ এপ্রিল) গণিত বিভাগের সেমিনার কক্ষে ক্লাস চলাকালে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে দুই শিক্ষার্থী আহত হন। ঘটনার পরপরই নিরাপত্তা ও ভবন সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

kalprakash.com/SS
জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামী অর্থনীতির শীর্ষ ১০ বিদ্যাপীঠ

ছাদ ধসের আতঙ্কে জবিতে হেলমেট পরে পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত: ০৪:৪৩:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) গণিত বিভাগের সেমিনার কক্ষের ছাদের পলেস্তারা ধসে দুই শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনায় ক্যাম্পাসজুড়ে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। নিরাপত্তাহীনতার প্রতিবাদ ও সচেতনতার অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা হেলমেট পরে ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের হেলমেট পরে অংশ নিতে দেখা যায়। শিক্ষার্থীরা বলছেন, এটি একদিকে আত্মরক্ষার পদক্ষেপ, অন্যদিকে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের প্রতীকী প্রতিবাদ।

হেলমেট পরে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী নাঈম খোন্দকার বলেন, “কখন কার মাথায় পলেস্তারা পড়ে তা বলা যায় না। তাই বাধ্য হয়েই হেলমেট ব্যবহার করছি।”

আরেক শিক্ষার্থী নয়ন ইসলাম বলেন, “দুই সহপাঠী আহত হওয়ার পরও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই। ঝুঁকিপূর্ণ কক্ষে বসে পরীক্ষা দিতে ভয় লাগছে, তাই হেলমেট পরে আসছি।”

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) এজিএস মাসুদ রানা বলেন, “ঝুঁকিপূর্ণ ও পরিত্যক্ত ঘোষিত ভবনগুলো দ্রুত সংস্কার বা পুনর্নির্মাণ করা জরুরি।”

উল্লেখ্য, বুধবার (১ এপ্রিল) গণিত বিভাগের সেমিনার কক্ষে ক্লাস চলাকালে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে দুই শিক্ষার্থী আহত হন। ঘটনার পরপরই নিরাপত্তা ও ভবন সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

kalprakash.com/SS