সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দ্রুত প্রক্রিয়ায় ‘গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়’-এর অনুমোদন নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন। নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ট্রাস্টের এই উদ্যোগটি আবেদন করার মাত্র তিন মাসের মধ্যেই অনুমোদন পায়, যেখানে অন্য ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন বছরের পর বছর ঝুলে আছে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ অনুযায়ী ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য ন্যূনতম ৫ কোটি টাকা সংরক্ষিত তহবিল থাকার কথা। কিন্তু অনুমোদনপত্রে দেখা যায়, গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এই পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র দেড় কোটি টাকা—যা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।
তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তারা সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী অর্থ জমা দিয়েছে এবং কোনো নিয়ম লঙ্ঘন হয়নি। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অনুমোদন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও আইনের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত না হলে উচ্চশিক্ষা খাতে প্রশ্ন থেকেই যাবে।
kalprakash.com/SS
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















