সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানতের টাকা ফেরত নিতে প্রথম দিনে ৮৪ লাখ গ্রাহকের মধ্যে মাত্র ১৮ হাজার গ্রাহক আবেদন করেছেন। অর্থাৎ ব্যাংকটির মোট গ্রাহকের মাত্র ০.২১ শতাংশ অর্থ উত্তোলনের আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছেন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আবেদুর রহমান শিকদার।
তিনি জানান, ব্যাংক থেকে হিসাব বন্ধ করে ‘এক্সিট সুবিধা’ নিতে চাওয়া গ্রাহকের সংখ্যাও তুলনামূলকভাবে কম। এসব গ্রাহকের বিপরীতে চাওয়া অর্থের পরিমাণ প্রায় ২৪৫ কোটি টাকা, যা সামগ্রিক বিবেচনায় অত্যন্ত নগণ্য।
ব্যাংকটির এমডি মো. আবেদুর রহমান শিকদার বলেন, আমাদের ৮৪ লাখ গ্রাহকের মধ্যে প্রথম দিনে মাত্র ১৮ হাজার আবেদন পেয়েছি, যা শতাংশের হিসাবে খুবই সামান্য। গতকাল অর্থ ফেরতের যে চাহিদা এসেছে, তার পরিমাণ ১৩০০ কোটি টাকার কিছু বেশি, তবে ১৪০০ কোটি টাকাও নয়। আমাদের প্রায় ১৫০০ শাখা ও উপ-শাখায় স্বাভাবিক কার্যক্রমে যে পরিমাণ লেনদেন হয়, এটি তার চেয়েও কম।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সেই তুলনায় খুব বেশি মানুষ টাকা তুলতে চাইছেন না। এর অর্থ হলো, ব্যাংকের ওপর গ্রাহকদের এখনও যথেষ্ট আস্থা রয়েছে।
ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি একীভূত হওয়া পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক—এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক নিয়ে নতুন করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠন করা হয়েছে। এরপর আমানতকারীদের নির্ধারিত নিয়মে অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথম দিনে আবেদনের সংখ্যা ও অর্থের মোট চাহিদা ব্যাংকটির বিশাল গ্রাহকভিত্তি এবং স্বাভাবিক লেনদেনের তুলনায় অনেকটাই সীমিত। ফলে গ্রাহকদের বড় একটি অংশ আমানত তুলে নেওয়ার পরিবর্তে ব্যাংকেই অর্থ রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে প্রতীয়মান হয়।
kalprakash.com/IM