বাংলাদেশ ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে স্কুলছাত্র হত্যায় রিপনের মৃত্যুদণ্ড, অপর আসামি রাব্বি খালাস

আরাফাত রহমান। ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে স্কুলছাত্র আরাফাত রহমান হত্যা মামলায় রিপন নামে এক যুবকের মৃত্যুদণ্ড এবং দুই লাখ টাকা জরিমানা প্রদান করেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে এই রায় ঘোষণা করা হয়। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক ছিলেন।

অপরদিকে, অপর আসামি রাব্বি অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় খালাস পেয়েছেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর রাতে শিক্ষার্থী আরাফাতকে বিজয় দিবসের কনসার্টে নিয়ে যায় রিপন মিয়া। বড় ভাইয়ের সঙ্গে ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে ওই রাতেই পুরাতন স্কুল ভবনের পাশে আরাফাতের মাথা ইট দিয়ে থেঁতলে ও গলাটিপে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ মসজিদের পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। নিহত আরাফাত বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের লাউসার গ্রামের রফিকুল ইসলাম মনার ছেলে এবং স্থানীয় একটি স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।

ঘটনার তিন দিন পর পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার হলে ১৯ ডিসেম্বর বন্দর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ জাকির জানান, পুলিশ রিপনকে গ্রেফতার করলে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। পরে জামিনে ছাড়া পাওয়ার পর আত্মগোপনে চলে যান।

আদালত এই মামলায় ২৭ সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রিপনকে মৃত্যুদণ্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে। অপর আসামি রাব্বি দোষী প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পেয়েছেন।

kalprakash.com/SS

ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

নারায়ণগঞ্জে স্কুলছাত্র হত্যায় রিপনের মৃত্যুদণ্ড, অপর আসামি রাব্বি খালাস

প্রকাশিত: ০৫:৪০:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে স্কুলছাত্র আরাফাত রহমান হত্যা মামলায় রিপন নামে এক যুবকের মৃত্যুদণ্ড এবং দুই লাখ টাকা জরিমানা প্রদান করেছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে এই রায় ঘোষণা করা হয়। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামি পলাতক ছিলেন।

অপরদিকে, অপর আসামি রাব্বি অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় খালাস পেয়েছেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর রাতে শিক্ষার্থী আরাফাতকে বিজয় দিবসের কনসার্টে নিয়ে যায় রিপন মিয়া। বড় ভাইয়ের সঙ্গে ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে ওই রাতেই পুরাতন স্কুল ভবনের পাশে আরাফাতের মাথা ইট দিয়ে থেঁতলে ও গলাটিপে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ মসজিদের পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। নিহত আরাফাত বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের লাউসার গ্রামের রফিকুল ইসলাম মনার ছেলে এবং স্থানীয় একটি স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।

ঘটনার তিন দিন পর পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার হলে ১৯ ডিসেম্বর বন্দর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ জাকির জানান, পুলিশ রিপনকে গ্রেফতার করলে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। পরে জামিনে ছাড়া পাওয়ার পর আত্মগোপনে চলে যান।

আদালত এই মামলায় ২৭ সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রিপনকে মৃত্যুদণ্ড ও দুই লাখ টাকা জরিমানা দেওয়া হয়েছে। অপর আসামি রাব্বি দোষী প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পেয়েছেন।

kalprakash.com/SS