ফ্যামিলি কার্ডের তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার অপসারণ দাবি করেছেন বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে বিতর্কিত নিয়োগের ফলাফল বাতিল করে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ার দাবি জানিয়ে তাঁরা ইউএনও ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে পৌর শহরের বাহিরগোলা জামে মসজিদ মোড় থেকে একটি প্রতিবাদী বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় ও পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে প্রধান ফটকগুলোতে তালা লাগিয়ে দেয়।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ফ্যামিলি কার্ড শুমারির মতো রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে পছন্দের অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দিয়ে যোগ্যদের বঞ্চিত করা হয়েছে। প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. বাবুল আহমেদ, সদস্যসচিব মো. মাহমুদুল ইসলাম প্রামাণিক, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইখতিয়ার উদ্দিন ভূঁইয়া নিপন, যুগ্ম আহ্বায়ক ইফতেখার হোসেন পপেলসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, “ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রকল্পে নিরপেক্ষতার বাইরে গিয়ে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। যারা একসময় এ ধরনের প্রকল্পকে তাচ্ছিল্য করেছে, তাদেরকেই অবৈধভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ নিয়োগ বাতিল না করা হলে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।”
তবে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি। তিনি জানান, ছয়টি আলাদা বোর্ডের মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও মেধার ভিত্তিতে পরীক্ষা গ্রহণপূর্বক যোগ্য প্রার্থীদের নির্বাচিত করা হয়েছে। তবে কার্যালয়ে তালা ঝুলানোর প্রসঙ্গে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
kalprakash.com/IM