“আমরা সবই করতে চাই, তবে আমাদের হাত-পা বাঁধা। আমাদের পর্যাপ্ত ফান্ড নেই। যেটুকু বরাদ্দ আছে, তা দিয়ে যতটুকু কাজ করা সম্ভব, ততটুকুই করব। দেশে এখন গণতান্ত্রিক সরকার রয়েছে। এ বছর না হলেও আগামী বছর দৃষ্টিনন্দন কিছু করতে পারব বলে আশা করছি।”
মঙ্গলবার ২৮ জুলাই দুপুরে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার হলদীগ্রাম, নওকুচি ও গান্ধিগাঁও এলাকায় প্রকল্পের আওতায় সদ্যনির্মিত সড়ক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন।
ঝিনাইগাতীতে আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে তিনি বলেন, “আকস্মিক পাহাড়ি ঢল, বন্যা ও জলাবদ্ধতা পুরো দেশেরই সমস্যা। এখানকার কোন জায়গায় কী সমস্যা রয়েছে, তা সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে হবে। একটিমাত্র দপ্তর একা এর স্থায়ী সমাধান করতে পারবে না। পানি উন্নয়ন বোর্ড, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং এলজিআরডি—এই তিনটি বিভাগকে একসাথে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল প্রকল্প তৈরি করে নিয়ে এলে সাধ্যমতো তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করব।” একই সাথে হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনের বিষয়েও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আলোচনা চলছে বলে জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন আক্তার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল আমীন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. শাজাহান আকন্দ, সদস্য সচিব মো. লুৎফর রহমানসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী শেরপুর সার্কিট হাউজে পৌঁছালে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মো. ফাহিম চৌধুরী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. সানসিলা জেবরি প্রিয়াঙ্কা, জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার এ কে এম জহিরুল ইসলামসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
kalprakash.com/IM