বাংলাদেশ ০৯:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo দখলদারদের আবেদনে থেমে গেল দেলভাষানী খাল উদ্ধার অভিযান, প্রশ্নের মুখে প্রশাসনের কঠোরতা Logo সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানসহ দুই আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার Logo কুবি ডান্স ক্লাবের নেতৃত্বে শান্তা-জয় Logo গুণগত সংবাদ প্রকাশে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই: সোহাগ আরেফিন Logo মাদকসেবী, মাদক বিক্রেতা, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের আমার এলাকায় ঠাঁই হবে না: এমপি সেলিম রেজা হাবিব Logo চাঁদা না দেওয়ায় শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ, পরীক্ষা বর্জন করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ Logo নোবেল না পাওয়ার আক্ষেপ আবারও ট্রাম্পের Logo এক কারণে নরওয়ের ভয়ে কাঁপছে ব্রাজিল Logo ঘরোয়া আয়োজনে গৌরী স্প্র্যাটকে বিয়ে করলেন আমির খান Logo ডিজিটাল বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে তথ্য ও সম্প্রচার আইন আধুনিকায়নের উদ্যোগ

নোবেল না পাওয়ার আক্ষেপ আবারও ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাউন্ট রাশমোরে দেওয়া ভাষণে আবারও নোবেল পুরস্কার না পাওয়ার আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের প্রশাসনের বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, বহু আন্তর্জাতিক সংকট নিরসনে ভূমিকা রাখলেও তাকে এখনো নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি।

বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, খেলাধুলা, সংস্কৃতি এবং অলিম্পিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, মার্কিন নাগরিকরাই সবচেয়ে বেশি নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন। এরপরই কিছুটা আক্ষেপের সুরে বলেন, “তবে আমাকে একটিও দেওয়া হয়নি।”

ট্রাম্পের দাবি, তিনি অন্তত আটটি সংঘাত বা যুদ্ধ মীমাংসায় ভূমিকা রেখেছেন। তবে সমালোচকদের মতে, এ ধরনের দাবি তিনি আগেও একাধিকবার করেছেন এবং সেগুলোর অনেকগুলোর পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।

নোবেল পুরস্কার পাওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ নতুন নয়। দ্বিতীয় মেয়াদের শুরু থেকেই তিনি প্রকাশ্যে শান্তিতে নোবেল পাওয়ার প্রত্যাশার কথা একাধিকবার বলেছেন। গত জানুয়ারিতে তিনি মন্তব্য করেছিলেন, ইতিহাসে তার চেয়ে বেশি এই পুরস্কারের যোগ্য আর কেউ নেই।

অন্যদিকে, ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পান ভেনিজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া করিনা মাচাদো। পরে নিজের নোবেল পদক প্রতীকীভাবে ট্রাম্পকে উৎসর্গ করার কথা জানালেও নোবেল কমিটি স্পষ্ট করে দেয়, এটি কেবল ব্যক্তিগত ও প্রতীকী উদ্যোগ। আনুষ্ঠানিকভাবে নোবেল বিজয়ীর তালিকায় কোনো পরিবর্তন আনা হয় না।

হোয়াইট হাউসের সাবেক ও বর্তমান ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর দাবি, কূটনৈতিক অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে নোবেল পুরস্কার পাওয়াকে ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন। তাদের মতে, এই পুরস্কারকে তিনি নিজের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের অন্যতম বড় স্বীকৃতি হিসেবে দেখেন।

ইতিহাসে এখন পর্যন্ত মাত্র দুইজন দায়িত্ব পালনরত মার্কিন প্রেসিডেন্ট নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন—উড্রো উইলসন এবং বারাক ওবামা।

এদিকে ট্রাম্পের নোবেল আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি ব্যঙ্গ করে লেখেন, ট্রাম্পকে শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা উচিত, কারণ তিনি “অন্তত ৩৮ বার” ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করার দাবি করেছেন। হান্টারের মন্তব্য, ইতিহাসে কোনো প্রেসিডেন্ট একই যুদ্ধ এতবার শেষ করার দাবি করেননি।

রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
নোবেল না পাওয়ার আক্ষেপ আবারও ট্রাম্পের
জনপ্রিয় সংবাদ

দখলদারদের আবেদনে থেমে গেল দেলভাষানী খাল উদ্ধার অভিযান, প্রশ্নের মুখে প্রশাসনের কঠোরতা

নোবেল না পাওয়ার আক্ষেপ আবারও ট্রাম্পের

প্রকাশিত: ০৬:৫০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাউন্ট রাশমোরে দেওয়া ভাষণে আবারও নোবেল পুরস্কার না পাওয়ার আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের প্রশাসনের বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, বহু আন্তর্জাতিক সংকট নিরসনে ভূমিকা রাখলেও তাকে এখনো নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়নি।

বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, খেলাধুলা, সংস্কৃতি এবং অলিম্পিকসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, মার্কিন নাগরিকরাই সবচেয়ে বেশি নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন। এরপরই কিছুটা আক্ষেপের সুরে বলেন, “তবে আমাকে একটিও দেওয়া হয়নি।”

ট্রাম্পের দাবি, তিনি অন্তত আটটি সংঘাত বা যুদ্ধ মীমাংসায় ভূমিকা রেখেছেন। তবে সমালোচকদের মতে, এ ধরনের দাবি তিনি আগেও একাধিকবার করেছেন এবং সেগুলোর অনেকগুলোর পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।

নোবেল পুরস্কার পাওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের আগ্রহ নতুন নয়। দ্বিতীয় মেয়াদের শুরু থেকেই তিনি প্রকাশ্যে শান্তিতে নোবেল পাওয়ার প্রত্যাশার কথা একাধিকবার বলেছেন। গত জানুয়ারিতে তিনি মন্তব্য করেছিলেন, ইতিহাসে তার চেয়ে বেশি এই পুরস্কারের যোগ্য আর কেউ নেই।

অন্যদিকে, ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পান ভেনিজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া করিনা মাচাদো। পরে নিজের নোবেল পদক প্রতীকীভাবে ট্রাম্পকে উৎসর্গ করার কথা জানালেও নোবেল কমিটি স্পষ্ট করে দেয়, এটি কেবল ব্যক্তিগত ও প্রতীকী উদ্যোগ। আনুষ্ঠানিকভাবে নোবেল বিজয়ীর তালিকায় কোনো পরিবর্তন আনা হয় না।

হোয়াইট হাউসের সাবেক ও বর্তমান ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর দাবি, কূটনৈতিক অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে নোবেল পুরস্কার পাওয়াকে ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন। তাদের মতে, এই পুরস্কারকে তিনি নিজের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের অন্যতম বড় স্বীকৃতি হিসেবে দেখেন।

ইতিহাসে এখন পর্যন্ত মাত্র দুইজন দায়িত্ব পালনরত মার্কিন প্রেসিডেন্ট নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন—উড্রো উইলসন এবং বারাক ওবামা।

এদিকে ট্রাম্পের নোবেল আকাঙ্ক্ষা নিয়ে কটাক্ষ করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ছেলে হান্টার বাইডেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি ব্যঙ্গ করে লেখেন, ট্রাম্পকে শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা উচিত, কারণ তিনি “অন্তত ৩৮ বার” ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ করার দাবি করেছেন। হান্টারের মন্তব্য, ইতিহাসে কোনো প্রেসিডেন্ট একই যুদ্ধ এতবার শেষ করার দাবি করেননি।

রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
নোবেল না পাওয়ার আক্ষেপ আবারও ট্রাম্পের