ঠাকুরগাঁওয়ের রুহিয়া এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা মো. আব্বাস আলী ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে একটি ফেসবুক পেজে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। একটি কুচক্রী মহলের প্ররোচনায় সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে কাল্পনিক ও বানোয়াট গল্প সাজিয়ে এই সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
ভুক্তভোগী মো. আব্বাস আলী জানান, গত ২৯ জুন সোমবার পাটিয়াডাঙ্গী বাজারে অবস্থিত বিএনপি কার্যালয়ে একটি মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় ৩ নম্বর রাজাগাঁও ইউনিয়নের সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিনুর রহমান রিপন (ওরফে হাজী রিপন) কোনো ধরনের তথ্য-প্রমাণ ছাড়াই সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আব্বাস আলী ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে মাদক-সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে বক্তব্য দেন। পরবর্তীতে সেই বক্তব্যকে পুঁজি করে কোনো ধরনের সত্যতা যাচাই বা ভুক্তভোগী পক্ষের বক্তব্য না নিয়েই ‘হিমালয়ের পাশে’ নামের একটি ফেসবুক পেজে সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন একতরফা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর একটি সংবাদ প্রকাশ করেন।
আব্বাস আলী আরও জানান, পরবর্তীতে নিজের ভুল বুঝতে পেরে এবং জনরোষের মুখে পড়ে বক্তা আমিনুর রহমান রিপন ওই ফেসবুক পেজেই লাইভে এসে তাঁর পূর্বের বক্তব্য প্রত্যাহার করে নেন। একই সঙ্গে তিনি নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, আনীত অভিযোগটি সম্পূর্ণ অসত্য ও সাজানো ছিল।
সংবাদ সম্মেলনে আব্বাস আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “গণমাধ্যম হলো সমাজের দর্পণ। কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের বিরুদ্ধে এমন সংবেদনশীল সংবাদ প্রকাশের আগে তার সত্যতা যাচাই করা এবং ভুক্তভোগী পক্ষের বক্তব্য নেওয়া সাংবাদিকতার ন্যূনতম নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু ‘হিমালয়ের পাশে’ পেজের সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক সেই পেশাদারিত্বের তোয়াক্কা না করে তাড়াহুড়ো করে এই মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে দিয়েছেন।”
তিনি তাঁর পরিবারকে সামাজিক ও মানসিকভাবে হেয় করার এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানান এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান, ভবিষ্যতে সত্যতা যাচাই ছাড়া যেন এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ বা প্রচার না করা হয়।
তিনি আরও বলেন, এরপরও যদি এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হয়, তবে দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রুহিয়া (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি 





















