বাংলাদেশ ০১:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo নিখোঁজের ১৫ দিন পর বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার Logo সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে শার্শায় বিএনপি নেতার পদ স্থগিত Logo স্পিডবোট থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার Logo কেন্দ্রীয় সাইবার দলের সহ-প্রচার সম্পাদক হলেন সাংবাদিক মেহেদী হাসান রিয়াদ Logo ধানকুনিয়া-লটাবাড়িয়া সড়কের বেহাল দশায় জনদুর্ভোগ Logo স্থলবন্দরে ১৪ জুন থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা Logo রিয়া খাতুন ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের জেরে ধর্ষকের বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ Logo ফুটপাত ও সড়ক অ‌বৈধ দখল, জনদু‌র্ভোগ চর‌মে Logo অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেনকে নিয়ে অপপ্রচার: ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী Logo নিজ জেলায় মহানগর পুলিশে আর দায়িত্ব নয়, শতাধিক সদস্যের বদলির সিদ্ধান্ত
গণ উন্নয়ন প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

ঋণের প্রলোভনে ৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণ উন্নয়ন প্রচেষ্টা (GUD)-এর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক নারী উদ্যোক্তা।

রবিবার (১৫ মার্চ ২০২৬) ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার কাশিমনগর এলাকার বাসিন্দা ও নারী উদ্যোক্তা মিতু আক্তার এ অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে মিতু আক্তার বলেন, গণ উন্নয়ন প্রচেষ্টা (GUD) ১৯৯৩ সাল থেকে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসা একটি জাতীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা। সংস্থাটি মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (MRA) কর্তৃক সনদপ্রাপ্ত এবং পিকেএসএফ (PKSF)-এর অধীনে ঢাকা, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, ফরিদপুর, শরীয়তপুর, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলায় ক্ষুদ্রঋণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে।

তিনি জানান, কাশিমনগর স্ট্যান্ড মোড়ে একটি অটো রাইসমিল স্থাপনের জন্য তাকে ৩০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দেয় সংস্থাটির কবিরাজপুর বাজার শাখা। এ আশ্বাসের ভিত্তিতে ২০২২ সালের ২১ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময় ব্যাংক ও নগদের মাধ্যমে তার কাছ থেকে মোট ৬ কোটি টাকা গ্রহণ করা হয়।

মিতু আক্তারের দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণ দেওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে তাকে কোনো ঋণ দেওয়া হয়নি। বিষয়টি একাধিকবার ঢাকা মোহাম্মদপুরে অবস্থিত সংস্থাটির প্রধান শাখায় অবগত করলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং নেওয়া ৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় সংস্থাটির কবিরাজপুর বাজার শাখার ব্যবস্থাপক আল মামুন মোল্লা, হিসাবরক্ষক আবুল বাসারসহ মোট ১২ জন জড়িত রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন— মানিক মোল্লা, আরিফ হোসেন শেখ, মো. জাকির হোসেন বাবুল, মো. মাসুদ শেখ, রইছ খন্দকার ওরফে রাইহান ইসলাম, হেলাল কাজী, রইছ সিকদার, শফিকুল ইসলাম বাবুল, বি এম নুরুজ্জামান ও কাজিজ ফাতেমা।

তিনি আরও বলেন, প্রতারণার মাধ্যমে তার কাছ থেকে নেওয়া ৬ কোটি টাকা ফেরত না পেলে তিনি চরম ক্ষতির মুখে পড়বেন। একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি এ ঘটনায় ন্যায়বিচার দাবি করেন।

এ বিষয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

এদিকে এ ঘটনায় মাদারীপুরের রাজৈর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার এফআইআর নম্বর ২৬/২৯২, তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৪।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী নারী উদ্যোক্তার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।

রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
ঋণের প্রলোভনে ৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

নিখোঁজের ১৫ দিন পর বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

গণ উন্নয়ন প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

ঋণের প্রলোভনে ৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

প্রকাশিত: ০২:৫৮:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা গণ উন্নয়ন প্রচেষ্টা (GUD)-এর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক নারী উদ্যোক্তা।

রবিবার (১৫ মার্চ ২০২৬) ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার কাশিমনগর এলাকার বাসিন্দা ও নারী উদ্যোক্তা মিতু আক্তার এ অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে মিতু আক্তার বলেন, গণ উন্নয়ন প্রচেষ্টা (GUD) ১৯৯৩ সাল থেকে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসা একটি জাতীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা। সংস্থাটি মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (MRA) কর্তৃক সনদপ্রাপ্ত এবং পিকেএসএফ (PKSF)-এর অধীনে ঢাকা, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, ফরিদপুর, শরীয়তপুর, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলায় ক্ষুদ্রঋণ ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে।

তিনি জানান, কাশিমনগর স্ট্যান্ড মোড়ে একটি অটো রাইসমিল স্থাপনের জন্য তাকে ৩০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দেয় সংস্থাটির কবিরাজপুর বাজার শাখা। এ আশ্বাসের ভিত্তিতে ২০২২ সালের ২১ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময় ব্যাংক ও নগদের মাধ্যমে তার কাছ থেকে মোট ৬ কোটি টাকা গ্রহণ করা হয়।

মিতু আক্তারের দাবি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণ দেওয়ার কথা থাকলেও পরবর্তীতে তাকে কোনো ঋণ দেওয়া হয়নি। বিষয়টি একাধিকবার ঢাকা মোহাম্মদপুরে অবস্থিত সংস্থাটির প্রধান শাখায় অবগত করলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং নেওয়া ৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় সংস্থাটির কবিরাজপুর বাজার শাখার ব্যবস্থাপক আল মামুন মোল্লা, হিসাবরক্ষক আবুল বাসারসহ মোট ১২ জন জড়িত রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন— মানিক মোল্লা, আরিফ হোসেন শেখ, মো. জাকির হোসেন বাবুল, মো. মাসুদ শেখ, রইছ খন্দকার ওরফে রাইহান ইসলাম, হেলাল কাজী, রইছ সিকদার, শফিকুল ইসলাম বাবুল, বি এম নুরুজ্জামান ও কাজিজ ফাতেমা।

তিনি আরও বলেন, প্রতারণার মাধ্যমে তার কাছ থেকে নেওয়া ৬ কোটি টাকা ফেরত না পেলে তিনি চরম ক্ষতির মুখে পড়বেন। একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি এ ঘটনায় ন্যায়বিচার দাবি করেন।

এ বিষয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

এদিকে এ ঘটনায় মাদারীপুরের রাজৈর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার এফআইআর নম্বর ২৬/২৯২, তারিখ ১৫ নভেম্বর ২০২৪।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী নারী উদ্যোক্তার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন।

রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
ঋণের প্রলোভনে ৬ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ