বাংলাদেশ ০৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo মারিশ্যায় বিজিবির অভিযানে বিদেশি মদ, সিগারেট ও কসমেটিকস উদ্ধার Logo পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য প্রফেসর ড. ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার Logo মা ও শিশুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পুলিশের হেফাজতে Logo পাবনায় মাদক সেবনের দায়ে এক যুবকের ২ মাসের কারাদণ্ড Logo দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে কৃষক দল নেতা নিহত, মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন বিএনপি নেতা Logo অযৌক্তিক ফি বৃদ্ধি বন্ধের দাবিতে তেজগাঁও কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিবাদ Logo বাজারে তীব্র যানজট, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ Logo মাদকবিরোধী অভিযানে সাফল্য: ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার Logo কাপ্তাই হ্রদে নৌভ্রমণের সময় চবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু Logo জাবির সমাজবিজ্ঞান অনুষদের নতুন ডিন শরিফুল হুদা

দীর্ঘ ছুটির চেয়ে দুই মাস পরপর ছোট বিরতিই বেশি কার্যকর বলছে গবেষণা

2154123

কর্মব্যস্ত জীবনে মানসিক চাপ, ক্লান্তি ও অবসাদ যেন নিত্যদিনের সঙ্গী। এসব থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই বছরের শেষে দীর্ঘ ছুটির পরিকল্পনা করেন। তবে নতুন এক গবেষণা বলছে, একবারে দীর্ঘ ছুটি নেওয়ার চেয়ে নির্দিষ্ট বিরতিতে ছোট ছোট ছুটি নেওয়াই মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য বেশি উপকারী।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন’-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি দুই মাস অন্তর স্বল্প সময়ের জন্য ছুটি বা বিরতি নেওয়া কর্মজীবীদের মানসিক সতেজতা, উৎপাদনশীলতা এবং সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

গবেষকদের মতে, দীর্ঘ বার্ষিক ছুটি সাময়িকভাবে মানসিক প্রশান্তি এনে দিলেও এর ইতিবাচক প্রভাব খুব বেশি দিন স্থায়ী হয় না। কাজে ফেরার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ছুটির প্রভাব কমে যায় এবং কর্মক্ষেত্রের চাপ আবারও ফিরে আসে।

অন্যদিকে, দুই মাস পরপর সংক্ষিপ্ত বিরতি নেওয়ার অভ্যাস কর্মীদের মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। এতে মস্তিষ্ক বিশ্রাম পাওয়ার সুযোগ পায় এবং নতুন উদ্যমে কাজে ফেরার শক্তি অর্জন করে।

মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত বিরতি কাজ ও বিশ্রামের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক। যারা নির্দিষ্ট সময় পরপর বিশ্রাম নেন, তাদের কাজের মান, মনোযোগ এবং পারফরম্যান্স তুলনামূলকভাবে ভালো থাকে।

বিশেষজ্ঞরা আরও পরামর্শ দিয়েছেন, একবারে পুরো বার্ষিক ছুটি ব্যয় না করে বছরের বিভিন্ন সময়ে ছুটি ভাগ করে নেওয়া উচিত। এমনভাবে পরিকল্পনা করা যেতে পারে, যাতে প্রতি দুই মাস অন্তর অন্তত কয়েক দিনের জন্য কর্মব্যস্ততা থেকে দূরে থাকা সম্ভব হয়।

তাদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ ও উৎপাদনশীল থাকতে হলে শুধু কাজ নয়, বিশ্রামকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। তাই ছুটির পরিকল্পনায় বড় সফরের পাশাপাশি নিয়মিত ছোট বিরতিকেও গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা।

সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
দীর্ঘ ছুটির চেয়ে দুই মাস পরপর ছোট বিরতিই বেশি কার্যকর বলছে গবেষণা
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

মারিশ্যায় বিজিবির অভিযানে বিদেশি মদ, সিগারেট ও কসমেটিকস উদ্ধার

দীর্ঘ ছুটির চেয়ে দুই মাস পরপর ছোট বিরতিই বেশি কার্যকর বলছে গবেষণা

প্রকাশিত: ০২:১৫:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

কর্মব্যস্ত জীবনে মানসিক চাপ, ক্লান্তি ও অবসাদ যেন নিত্যদিনের সঙ্গী। এসব থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই বছরের শেষে দীর্ঘ ছুটির পরিকল্পনা করেন। তবে নতুন এক গবেষণা বলছে, একবারে দীর্ঘ ছুটি নেওয়ার চেয়ে নির্দিষ্ট বিরতিতে ছোট ছোট ছুটি নেওয়াই মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য বেশি উপকারী।

যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন’-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি দুই মাস অন্তর স্বল্প সময়ের জন্য ছুটি বা বিরতি নেওয়া কর্মজীবীদের মানসিক সতেজতা, উৎপাদনশীলতা এবং সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

গবেষকদের মতে, দীর্ঘ বার্ষিক ছুটি সাময়িকভাবে মানসিক প্রশান্তি এনে দিলেও এর ইতিবাচক প্রভাব খুব বেশি দিন স্থায়ী হয় না। কাজে ফেরার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ছুটির প্রভাব কমে যায় এবং কর্মক্ষেত্রের চাপ আবারও ফিরে আসে।

অন্যদিকে, দুই মাস পরপর সংক্ষিপ্ত বিরতি নেওয়ার অভ্যাস কর্মীদের মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। এতে মস্তিষ্ক বিশ্রাম পাওয়ার সুযোগ পায় এবং নতুন উদ্যমে কাজে ফেরার শক্তি অর্জন করে।

মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত বিরতি কাজ ও বিশ্রামের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক। যারা নির্দিষ্ট সময় পরপর বিশ্রাম নেন, তাদের কাজের মান, মনোযোগ এবং পারফরম্যান্স তুলনামূলকভাবে ভালো থাকে।

বিশেষজ্ঞরা আরও পরামর্শ দিয়েছেন, একবারে পুরো বার্ষিক ছুটি ব্যয় না করে বছরের বিভিন্ন সময়ে ছুটি ভাগ করে নেওয়া উচিত। এমনভাবে পরিকল্পনা করা যেতে পারে, যাতে প্রতি দুই মাস অন্তর অন্তত কয়েক দিনের জন্য কর্মব্যস্ততা থেকে দূরে থাকা সম্ভব হয়।

তাদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ ও উৎপাদনশীল থাকতে হলে শুধু কাজ নয়, বিশ্রামকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। তাই ছুটির পরিকল্পনায় বড় সফরের পাশাপাশি নিয়মিত ছোট বিরতিকেও গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা।

সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
দীর্ঘ ছুটির চেয়ে দুই মাস পরপর ছোট বিরতিই বেশি কার্যকর বলছে গবেষণা