বাংলাদেশ ০১:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

নজরদারি ও পর্যবেক্ষণে কার্যকর ইরানি ‘হোমা’ ড্রোন

সংগৃহীত ছবি

যুদ্ধ কৌশলের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ড্রোন এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান প্রযুক্তিতে পরিণত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ইরানের তৈরি ‘হোমা’ ড্রোনকে নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রমে একটি কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

পার্সটুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত তিন দশকে ড্রোন প্রযুক্তিতে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে দেশটি বিশ্বের শীর্ষ ১০ ড্রোন উৎপাদনকারী দেশের মধ্যে রয়েছে বলে দাবি করা হয়।

ইরানি সামরিক ও প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের তৈরি বিভিন্ন ড্রোন সেনাবাহিনী ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) বিভিন্ন ইউনিটে ব্যবহৃত হচ্ছে। এসবের মধ্যে ‘হোমা’ ড্রোনকে অন্যতম উন্নত মডেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে ‘হোমা’ ড্রোন উন্মোচন করা হয়, যা নজরদারি ও গোয়েন্দা কাজে ব্যবহারের জন্য তৈরি। এটি উড্ডয়ন সক্ষমতা, স্থায়িত্ব এবং প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যের কারণে বিশেষভাবে আলোচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ড্রোনের কাঠামো ও নকশা কিছু মার্কিন নজরদারি ড্রোনের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও এতে উন্নত বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এর মধ্যে দীর্ঘ সময় উড্ডয়ন সক্ষমতা, ভারী পে-লোড বহনের ক্ষমতা এবং উন্নত নজরদারি ক্যামেরা ব্যবহারের বিষয়টি উল্লেখযোগ্য।

হোমা ড্রোনে দিন ও রাত উভয় সময়েই নজরদারি সক্ষম ক্যামেরা রয়েছে এবং এটি লাইভ ডেটা লিংকের মাধ্যমে গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশনে তথ্য পাঠাতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানের সামরিক শিল্পে দেশীয় প্রযুক্তিতে ইঞ্জিনসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে, যা ড্রোন প্রযুক্তির স্বনির্ভরতা বাড়িয়েছে বলে দাবি করা হয়।

সূত্র: পার্সটুডে

kalprakash.com/SS
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
নজরদারি ও পর্যবেক্ষণে কার্যকর ইরানি ‘হোমা’ ড্রোন
ট্যাগ সমূহ:
জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকবিরোধী অভিযানে সাফল্য: ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার

নজরদারি ও পর্যবেক্ষণে কার্যকর ইরানি ‘হোমা’ ড্রোন

প্রকাশিত: ০৪:৪৬:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

যুদ্ধ কৌশলের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ড্রোন এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সেনাবাহিনীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মূল্যবান প্রযুক্তিতে পরিণত হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ইরানের তৈরি ‘হোমা’ ড্রোনকে নজরদারি ও গোয়েন্দা কার্যক্রমে একটি কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।

পার্সটুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত তিন দশকে ড্রোন প্রযুক্তিতে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে দেশটি বিশ্বের শীর্ষ ১০ ড্রোন উৎপাদনকারী দেশের মধ্যে রয়েছে বলে দাবি করা হয়।

ইরানি সামরিক ও প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের তৈরি বিভিন্ন ড্রোন সেনাবাহিনী ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) বিভিন্ন ইউনিটে ব্যবহৃত হচ্ছে। এসবের মধ্যে ‘হোমা’ ড্রোনকে অন্যতম উন্নত মডেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে ‘হোমা’ ড্রোন উন্মোচন করা হয়, যা নজরদারি ও গোয়েন্দা কাজে ব্যবহারের জন্য তৈরি। এটি উড্ডয়ন সক্ষমতা, স্থায়িত্ব এবং প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যের কারণে বিশেষভাবে আলোচিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ড্রোনের কাঠামো ও নকশা কিছু মার্কিন নজরদারি ড্রোনের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হলেও এতে উন্নত বৈশিষ্ট্য যুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এর মধ্যে দীর্ঘ সময় উড্ডয়ন সক্ষমতা, ভারী পে-লোড বহনের ক্ষমতা এবং উন্নত নজরদারি ক্যামেরা ব্যবহারের বিষয়টি উল্লেখযোগ্য।

হোমা ড্রোনে দিন ও রাত উভয় সময়েই নজরদারি সক্ষম ক্যামেরা রয়েছে এবং এটি লাইভ ডেটা লিংকের মাধ্যমে গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশনে তথ্য পাঠাতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরানের সামরিক শিল্পে দেশীয় প্রযুক্তিতে ইঞ্জিনসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে, যা ড্রোন প্রযুক্তির স্বনির্ভরতা বাড়িয়েছে বলে দাবি করা হয়।

সূত্র: পার্সটুডে

kalprakash.com/SS
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
নজরদারি ও পর্যবেক্ষণে কার্যকর ইরানি ‘হোমা’ ড্রোন