ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন ভূঁইয়া মোনামি কে নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কুরুচিপূর্ণ ও আপত্তিকর পোস্টের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সচেতন মহল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা। তারা বলছেন, একজন নারীর সম্মান শুধু ব্যক্তিগত বিষয় নয়, এটি একটি পরিবার, সমাজ ও জাতির সম্মানের সঙ্গে জড়িত।
সোমবার ( ১২ মে) রাত আনুমানিক সাড়ে ১১ টার দিকে মাসুদ রানা নামে ফেসবুক আইডিতে এ পোস্ট দেখা যায়।
জানা গেছে, “মাসুদ” নামের ওই যুবক নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিলেও মূলত আওয়ামী আমলে বিভিন্ন জায়গায় প্রভাব খাটিয়ে চলাফেরা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,অভিযুক্ত মাসুদ সাবেক খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের ঘনিষ্ঠ পরিচয়ে দীর্ঘদিন বিভিন্ন ধরনের সুবিধা নিয়ে করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করেছেন, মতের অমিল বা সমালোচনা থাকতেই পারে, তবে একজন শিক্ষককে নিয়ে ব্যক্তিগত চরিত্রহনন ও নারীবিদ্বেষী মন্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একজন শিক্ষক জাতির মেরুদণ্ড। তাঁর সম্মানহানি মানে পুরো শিক্ষক সমাজকে অপমান করা।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে অনেকে বলেন, “সাংবাদিকতার নামে নারীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ পোস্ট করে সমাজে বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ হওয়া উচিত।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাসুদ রানার সাথে যোগাযোগ করলে দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করেন।
এদিকে, সাইবার বুলিং আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ উল্লেখ করে প্রশাসনের প্রতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবিও উঠেছে জোরালোভাবে।
নওগাঁ প্রতিনিধি 























