বাংলাদেশ ০২:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
শিরোনামঃ
Logo নওগাঁ সদর উপজেলা কৃষকদলের কমিটি গঠন, আহ্বায়ক মামুন ও সদস্য সচিব সবুর Logo পাবিপ্রবির নতুন ভিসি ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম Logo স্বর্ণের চেইন ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ, দম্পতির ওপর হামলা Logo চিতলমারীতে বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন, কৃষকের ধান কিনছে সরকার Logo তৃণমূল সাংবাদিকদের সংগঠন এসএসপির নেতৃত্বে মজনু-আবিদ Logo যোগদানের আগেই বেরোবির নতুন উপাচার্যের নিয়োগ বাতিল Logo ‘প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক’ পাচ্ছেন কুবির ১৬ শিক্ষার্থী Logo আজকের উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি Logo টানা দুই দফা বৃদ্ধির পর কমলো স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ২ হাজার ২১৬ টাকা Logo বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

দুদকের মামলায় মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল

সংগৃহীত ছবি

এনবিআরের সাবেক কর্মকর্তা ও ‘ছাগলকাণ্ডে’ আলোচিত মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি পিছিয়েছে। আদালত আগামী ৫ জুলাই এ বিষয়ে নতুন দিন ধার্য করেছেন।

সোমবার (১১ মে) বিভাগীয় স্পেশাল জজ শারমিন আফরোজ আসামিপক্ষের আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতিউর রহমানের আইনজীবী মো. ওয়াহিদুজ্জামান লিটন ঢালি।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মতিউর রহমান সম্পদ বিবরণীতে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

এছাড়া সরকারি চাকরির ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন বলেও অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মতিউর রহমান ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবলীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুটি পৃথক মামলা করে দুদক।

প্রথম মামলায় মতিউরের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ২১৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। এই মামলার অভিযোগপত্র ইতোমধ্যে অনুমোদন করেছে দুদক।

অন্যদিকে দ্বিতীয় মামলায় তার স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবলীর বিরুদ্ধে ১ কোটি ৮৭ লাখ ১৫ হাজার ৪৯০ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ২ কোটি ৭৫ লাখ ২৮ হাজার ৪৭৫ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ রয়েছে। এ মামলার তদন্ত এখনো চলমান।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি মতিউর রহমান ও তার প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ লাকিকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।

২০২৪ সালে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে মোহাম্মদপুরের সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ১৫ লাখ টাকার ছাগল কেনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম হয়। এরপর থেকেই ‘ছাগলকাণ্ড’ নামে পরিচিতি পান মতিউর রহমান।

kalprakash.com/SS

জনপ্রিয় সংবাদ

নওগাঁ সদর উপজেলা কৃষকদলের কমিটি গঠন, আহ্বায়ক মামুন ও সদস্য সচিব সবুর

দুদকের মামলায় মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল

প্রকাশিত: ০৪:১৮:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

এনবিআরের সাবেক কর্মকর্তা ও ‘ছাগলকাণ্ডে’ আলোচিত মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি পিছিয়েছে। আদালত আগামী ৫ জুলাই এ বিষয়ে নতুন দিন ধার্য করেছেন।

সোমবার (১১ মে) বিভাগীয় স্পেশাল জজ শারমিন আফরোজ আসামিপক্ষের আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন এ তারিখ নির্ধারণ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতিউর রহমানের আইনজীবী মো. ওয়াহিদুজ্জামান লিটন ঢালি।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মতিউর রহমান সম্পদ বিবরণীতে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন।

এছাড়া সরকারি চাকরির ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে তিনি ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন বলেও অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মতিউর রহমান ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবলীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে দুটি পৃথক মামলা করে দুদক।

প্রথম মামলায় মতিউরের বিরুদ্ধে ৫ কোটি ২৮ লাখ ৭৫ হাজার ৯৩৯ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৬ হাজার ২১৬ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। এই মামলার অভিযোগপত্র ইতোমধ্যে অনুমোদন করেছে দুদক।

অন্যদিকে দ্বিতীয় মামলায় তার স্ত্রী শাম্মী আখতার শিবলীর বিরুদ্ধে ১ কোটি ৮৭ লাখ ১৫ হাজার ৪৯০ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ২ কোটি ৭৫ লাখ ২৮ হাজার ৪৭৫ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ রয়েছে। এ মামলার তদন্ত এখনো চলমান।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি মতিউর রহমান ও তার প্রথম স্ত্রী লায়লা কানিজ লাকিকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।

২০২৪ সালে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে মোহাম্মদপুরের সাদিক অ্যাগ্রো থেকে ১৫ লাখ টাকার ছাগল কেনাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম হয়। এরপর থেকেই ‘ছাগলকাণ্ড’ নামে পরিচিতি পান মতিউর রহমান।

kalprakash.com/SS