সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ১৫ রবিউস সানী, ১৪৪৮ | সন্ধ্যা ৬:৩৪:১২
শিরোনাম
● পাবনায় বটগাছের নিচে বস্তায় মিলল ১৫ রাউন্ড গুলি, দেশীয় অস্ত্র ● মানবতাবিরোধী অপরাধে কামাল মজুমদারসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ● শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম শুরু নিয়ে যা জানা গেল ● শেখ হাসিনার জন্মদিনে শুভেচ্ছা, জাবি ছাত্রশক্তি নেতা আটক ● কুবিতে সংঘর্ষের পর প্রক্টরকে অভিযোগপত্র, ৮ দফা দাবি আবাসিক শিক্ষার্থীদের ● কাপ্তাইয়ে বিজিবির ওপর হামলার অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম পিসিসিপির ● জামায়াতের ১০০ কোটি টাকা নিয়ে নির্বাচন করেছে এনসিপি, দাবি রাশেদ খাঁনের ● জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ● হামে আরও ৩ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১৩১০ ● মালয়েশিয়ার পর সিঙ্গাপুরের কাছেও হার বাংলাদেশের ● পাবনায় বটগাছের নিচে বস্তায় মিলল ১৫ রাউন্ড গুলি, দেশীয় অস্ত্র ● মানবতাবিরোধী অপরাধে কামাল মজুমদারসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ● শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম শুরু নিয়ে যা জানা গেল ● শেখ হাসিনার জন্মদিনে শুভেচ্ছা, জাবি ছাত্রশক্তি নেতা আটক ● কুবিতে সংঘর্ষের পর প্রক্টরকে অভিযোগপত্র, ৮ দফা দাবি আবাসিক শিক্ষার্থীদের ● কাপ্তাইয়ে বিজিবির ওপর হামলার অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম পিসিসিপির ● জামায়াতের ১০০ কোটি টাকা নিয়ে নির্বাচন করেছে এনসিপি, দাবি রাশেদ খাঁনের ● জাতিসংঘ অধিবেশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সার্থক: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ● হামে আরও ৩ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১৩১০ ● মালয়েশিয়ার পর সিঙ্গাপুরের কাছেও হার বাংলাদেশের

হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন ‘রইছ’ খ্যাত অভিনেতা বিজয় চৌধুরী, এখনো শঙ্কামুক্ত নন

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩২
শেয়ার: mail
হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন ‘রইছ’ খ্যাত অভিনেতা বিজয় চৌধুরী, এখনো শঙ্কামুক্ত নন

অনলাইন ডেস্ক। ছবি: সংগৃহীত

হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরেছেন ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ সিনেমায় রইছ চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া অভিনেতা বিজয় চৌধুরী। তবে এখনো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি তিনি। চিকিৎসকের পরামর্শে আপাতত বাসায় থেকেই বিশ্রাম নিতে হবে তাঁকে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতাল থেকে অভিনেতাকে বাসায় নিয়ে আসা হয় বলে কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছেলে সাবিদ বিন আবু আজাদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, তাঁর বাবার শরীর এখন আগের চেয়ে কিছুটা ভালো। এখন একটু একটু কথা বলতে পারছেন, নড়াচড়া করতে পারছেন। তবে এখনো শঙ্কামুক্ত নন।

হাসপাতালের পিসিসিইউ থেকে বিজয় চৌধুরীকে কেবিনে স্থানান্তরের কথা ছিল। তবে সেখানে কোনো কেবিন ফাঁকা না থাকায় তাঁকে বাসায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

এ প্রসঙ্গে সাবিদ বলেন, হাসপাতালে কেবিন ফাঁকা না থাকায় চিকিৎসক অন্যত্র কোথাও ভর্তির পরামর্শ দেন। কিন্তু তাঁর বাবা বারবার বাসায় যাওয়ার কথা বলছিলেন, তাই অন্য কোনো হাসপাতালে না নিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় তাঁকে বাসায় নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসক জানিয়েছেন, তাঁর এখন পর্যাপ্ত ঘুম দরকার। পর্যাপ্ত ঘুম হলে দুই দিন পর তাঁরা ইকো করবেন। আপাতত সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং দুই দিন পর আবার হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে বিজয় চৌধুরীকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সে সময় তাঁর ছেলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, এক আত্মীয়ের দাওয়াতে সিংগাইর গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিনেতা। পরে দ্রুত তাঁকে ঢাকায় এনে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা জানান তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এরপর তাঁকে পিসিসিইউতে রাখা হয়।

হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর আপাতত বাসায় বিশ্রামে রয়েছেন এই অভিনেতা। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রামের পর দুই দিন পর তাঁর হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হবে।

রইছ চরিত্রেই অমর হয়ে আছেন বিজয়

কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সিনেমা ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম। ১৯৯৭ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি প্রায় তিন দশক পরও দর্শকের কাছে সমানভাবে স্মরণীয়। বিশেষ করে ছবির শেষ দৃশ্যে রইছের আত্মত্যাগ আজও দর্শকদের আবেগাপ্লুত করে।

এই একটি চরিত্রই বিজয় চৌধুরীকে এনে দিয়েছিল ব্যাপক পরিচিতি। সিনেমাটিতে অভিনয়ের সময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২২ বছর। স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে জন্ম নেওয়া এই অভিনেতার নাম রাখা হয়েছিল ‘বিজয়’। বর্তমানে ৫৪ বছরে পা দিয়েছেন তিনি। তবে দর্শকের কাছে আজও তিনি ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’-এর সেই রইছ।

রাজধানীর দক্ষিণ বাড্ডায় জন্ম ও বেড়ে ওঠা বিজয় চৌধুরীর। ১৯৯৩ সালে পরিচালক রায়হান মুজিবের ‘প্রেমপ্রীতি’ সিনেমার মাধ্যমে তাঁর অভিনয়ে অভিষেক হয়। এরপর আরও দুই-তিনটি সিনেমায় অভিনয় করলেও রইছের মতো আর কোনো চরিত্র তাঁকে সেই পরিচিতি এনে দিতে পারেনি। ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’-এর পর আর কোনো সিনেমায় অভিনয় করেননি তিনি।

১৯৯৬ সালে সালমা চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন বিজয়। এই দম্পতির এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তাঁর বাবা মোহাম্মদ মনির চৌধুরী অবসরপ্রাপ্ত চাকরিজীবী এবং মা মিনা চৌধুরী গৃহিণী। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে বিজয় একজন।

kalprakash.com/IM

এই সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সব দেখুন arrow_forward
Logo
রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | Globe kalprakash.com

হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরলেন ‘রইছ’ খ্যাত অভিনেতা বিজয় চৌধুরী, এখনো শঙ্কামুক্ত নন

বিস্তারিত কমেন্টে