বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির ফল প্রকাশের প্রস্তুতি নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। তবে মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলির কার্যক্রম থমকে রয়েছে। ফলে বদলির অপেক্ষায় থাকা মাদ্রাসা শিক্ষকরা বিপাকে পড়েছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব দাউদ মিয়া একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম নির্ভর করছে বদলি সফটওয়্যার তৈরির ওপর।”
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তিনি বলেন, “মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলির জন্য সফটওয়্যার তৈরির কাজ চলছে। সফটওয়্যার তৈরি হতে আরও চার থেকে পাঁচ মাস সময় লাগতে পারে। এরপর শিক্ষকরা বদলির সুযোগ পাবেন।”
সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম চললে শিক্ষকদের কাছ থেকে ম্যানুয়ালি আবেদন নেওয়া হলো কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে দাউদ মিয়া বলেন, “হার্ড কপিতে আবেদন নেওয়া হয়েছে মূলত শিক্ষকদের তথ্য নেওয়ার জন্য। সফটওয়্যারের মাধ্যমেই বদলি কার্যক্রম পরিচালিত হবে।”
মাদ্রাসা শিক্ষকদের বদলি আবেদনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রায় ৪২ হাজার শূন্য পদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। গত ৩০ আগস্ট থেকে আবেদন শুরু হয়ে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলে।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সফটওয়্যারভিত্তিক বদলি কার্যক্রম চালু না হওয়া পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসেবে ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (মাদ্রাসা) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা ২০২৬’-এর বিধি ৩.১৯ অনুযায়ী জনস্বার্থে বদলির লক্ষ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কাছ থেকে শূন্য পদের বিপরীতে ম্যানুয়াল (হার্ডকপি) আবেদন গ্রহণের জন্য কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
kalprakash.com/IM