ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সুষ্ঠু ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালনার স্বার্থে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের নির্ধারিত কর্মঘণ্টা এবং দাপ্তরিক সময়সূচি যথাযথভাবে অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের কনফারেন্স রুমে বিভাগীয় সভাপতি ও বিভিন্ন দপ্তরের অফিস প্রধানদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এ নির্দেশনা দেন তিনি।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমানসহ বিভিন্ন বিভাগের সভাপতি ও দপ্তর প্রধানরা।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান বলেন, নির্ধারিত সময়ের পরিবর্তে ইচ্ছেমতো অফিসে আসা-যাওয়া করলে কিংবা শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়। শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষ অর্জনের জন্য বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, শুধু আইন বা বিধিনিষেধ দিয়ে একজন শিক্ষকের সব দায়িত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। শিক্ষকদের প্রধান দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশে ভূমিকা রাখা। এ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত সততা ও পেশাগত সচেতনতার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এ ছাড়া কর্মকর্তাদেরও নির্ধারিত অফিস সিডিউল অনুযায়ী প্রতিদিনের দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করতে হবে। অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন না করলে প্রশাসন আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে।
মাদকের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে উপাচার্য বলেন, মাদকের বিষয়ে প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করবে। একই সঙ্গে শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুসরণ করে ছুটি গ্রহণের নির্দেশ দেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক শিক্ষা ও প্রশাসনিক পরিবেশের উন্নয়নে সবাইকে আন্তরিক সহযোগিতা করার আহ্বান জানান উপাচার্য।
kalprakash.com/IM